এক্সপ্লোর
পাকিস্তানকে টপকে মধ্য এশিয়ায় ব্যবসা বাড়াতে ইরান, আফগানিস্তানের সঙ্গে চাবাহার চুক্তি করল ভারত

তেহরান: অবশেষে স্বাক্ষরিত হল বহু প্রতীক্ষিত চাবাহার বন্দর চুক্তি। এই চুক্তি কার্যকর হলে পাকিস্তানকে এড়িয়ে মধ্য এশিয়ায় বাণিজ্যবৃদ্ধিতে দিল্লি দ্রুত এগিয়ে যাবে। সোমবার তেহরানে ইরান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে চাবাহার চুক্তি করল কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতীন গড়কড়ি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ও আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি। এই চুক্তি অনুযায়ী ইরানের সিস্তান-বালুচিস্তান প্রদেশের চাবাহার বন্দরে কাবুলের সঙ্গে দিল্লির একটি নতুন বাণিজ্য পথ খুলে যাবে। ফলে পাকিস্তানকে এড়িয়েই মধ্য এশিয়া, উপসাগরীয় দেশ, ইউরোপ ও ককেসাস দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্য করতে পারবে ভারত ও আফগানিস্তান। পাশাপাশি ইরান ও মধ্য এশিয়ার খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস প্রকল্পগুলিতে বিনিয়োগে সক্ষম হবে নয়াদিল্লি। চাবাহার বন্দর চুক্তি নিয়ে এই অগ্রগতি উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছে পাকিস্তান। অশান্ত বালুচিস্তানে চিনা নজরদারি বাড়াতে বেজিংয়ের সহায়তায় তারা যে গোয়াদর বন্দর তৈরি করতে চলেছে, চাবাহার চুক্তির ফলে তার উদ্দেশ্য অনেকটাই বিফল হবে বলে তাদের আশঙ্কা। চাবাহারের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরিতে ভারত আফগানিস্তানে যে ২১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ জারাঞ্জ- দেলারাম হাইওয়ে তৈরি করেছে, তার ওপর পাকিস্তান হামলা চালাতে পারে বলে কাবুল ইতিমধ্যেই তেহরান ও নয়াদিল্লিকে সতর্ক করে দিয়েছে। ২০০৩ থেকে এই চাবাহার চুক্তি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে তিন দেশ। কিন্তু হালে ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু পরীক্ষানিরীক্ষা সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর থেকে এই প্রচেষ্টা আরও জোরালো হয়। গত মাসে নয়াদিল্লিতে বৈঠকে বসে তিন দেশ চুক্তির বয়ান চূড়ান্ত করে। চুক্তিটি বাস্তবায়িত হওয়ার পর তেহরান, কাবুল ও নয়াদিল্লি সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়িক আদানপ্রদানের দিক থেকে রীতিমত লাভবান হবে।
Before You Go
Aparupa Poddar: 'রামনবমীর মিছিলে হামলায় উস্কানি দিয়েছিল সাকিরই', দাবি NIA-র
সেরা শিরোনাম
ব্যবসা-বাণিজ্যের
ফুটবলের
খবর
ক্রিকেট

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















