এক্সপ্লোর
জন আশীর্বাদ যাত্রায় বেরিয়ে মানুষের ‘ক্ষোভ’ টের পেয়েছেন চৌহান, ৭০-৮০ বিধায়ক, মন্ত্রীকে মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা ভোটে টিকিট দিচ্ছে না বিজেপি?

ত্রিপুরার লাল দুর্গে গেরুয়া ঝড়। মোদি ম্যাজিকে আড়াই দশক পরে বাম দুর্গে পতন। সরকার গঠনের পথে বিজেপি। এখনও পর্যন্ত বিজেপি জোটের প্রাপ্ত ভোট ৫০ শতাংশ। সিপিএমের প্রাপ্ত ভোট এখনও পর্যন্ত ৪৫ শতাংশ। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি আইপিএফটি জোট। উত্তর-পূর্বের ছোট্ট এই রাজ্যে বড়সড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটিয়ে কার্যত শূন্য থেকে শিখরে পৌঁছল বিজেপি।
ভোপাল: মধ্যপ্রদেশ বিজেপি বেশ কয়েকজন মন্ত্রী সহ ৭০-৮০ জন বর্তমান দলীয় বিধায়ককে সামনের বিধানসভা ভোটে টিকিট না দেওয়ার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে। প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার মোকাবিলায় এমন ভাবনা বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের এক রাজ্য নেতা। ২৮ নভেম্বর বিধানসভা ভোট, ১১ ডিসেম্বর গণনা সেখানে। বিজেপি সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান রাজ্যব্যাপী জন আশীর্বাদ যাত্রায় বেরিয়ে একাধিক দলীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে কাজ করেন না বলে মানুষের ক্ষোভ, অসন্তোষের অভিযোগ পেয়েছেন। পাশাপাশি সাম্প্রতিক এক জনমত সমীক্ষায়ও ইঙ্গিত, ১৫ বছর বাদে রাজ্যে কংগ্রেসের ক্ষমতায় ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। সব মিলিয়ে ঘর গোছানোর প্রস্তুতি চলছে বিজেপিতে। তারই অঙ্গ হিসাবে ৭০-৮০ বিধায়ক, মন্ত্রীকে ফের প্রার্থী না করার ভাবনাচিন্তা করছে রাজ্য নেতৃত্ব। ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার এক নেতা বলেন, কয়েকজন বিধায়কের ওপর মানুষের রাগ রয়েছে, তবে মুখ্যমন্ত্রী চৌহানের জনপ্রিয়তা টাল খায়নি। নতুন মুখ নিয়ে এলে বিজেপির পক্ষে মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব বলে অভিমত জানিয়েছেন তিনি। ২০১৩-র বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রায় ২৫ শতাংশ টিকিট দিয়েছিল নতুনদের, যাঁদের ৭৫ শতাংশই জিতেছিলেন। ২০১৩-য় রাজ্যে ২৩০টির মধ্যে ১৬৫টি পেয়েছিল বিজেপি। কংগ্রেস, বিএসপি, নির্দলরা পায় যথাক্রমে ৫৮, ৪ ও একটি আসন।
আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
ব্যবসা-বাণিজ্যের
ব্যবসা-বাণিজ্যের
খুঁটিনাটি
ব্যবসা-বাণিজ্যের























