এক্সপ্লোর
চিনের সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি এখনও স্পর্শকাতর, উত্তেজনার পারদ আরও চড়তে পারে: ভামরে

নয়াদিল্লি: ডোকলামে অচলাবস্থার আটমাস পর প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ ভামরে বলেছেন, চিনের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত পরিস্থিতি স্পর্শকাতর এবং উত্তেজনার পারদ আরও চড়তে পারে। তিনি বলেছেন, টহলদারি, সীমানা অতিক্রম এবং বিভিন্ন অচলাবস্থার কারণে উত্তেজনার পারদ আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি)-র পরিস্থিতি স্পর্শকাতর। উল্লেখ্য, ভারত ও চিনের মধ্যে ৪,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বলা হয়। দেশ গঠনে সেনার ভূমিকা সংক্রান্ত একটি সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আস্থাবর্ধক ব্যবস্থা গ্রহণ বাড়ানো হয়েছে। সেইসঙ্গে এলএসি-তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ জুন ডোকলামে চিনের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ অচলাবস্থার সূচনা হয়। বিতর্কিত এলাকায় চিনা সেনার রাস্তা নির্মাণের কাজ ভারতীয় সেনা বন্ধ করে দিল এর সূত্রপাত হয়। দীর্ঘ ৭৩ দিন চিনের সেনার চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে থাকেন ভারতীয় জওয়ানরা। শেষপর্যন্ত ২৮ আগস্ট অচলাবস্থার অবসান ঘটে। সূত্রের খবর, উত্তর ডোকলামে চিন সেনা মোতায়েন করে রেখেছে এবং বিতর্কিত এলাকায় পরিকাঠামো গড়ে তুলছে। গত জানুয়ারিতে সেনা প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্তের থেকে এবার ভারতের চিনের সঙ্গে সীমান্তের দিকে নজর ঘোরানোর সময় চলে এসেছে। চিনের সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি যে যথেষ্ট উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে, এভাবে তারই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সেনা প্রধান। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বলতে গিয়ে ভামরে ভারতের মতো দেশে আইএসআইএসের ভাবধারা পাকিস্তানের অনুঘটক হয়ে হয়ে উঠতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন। পাকিস্তানে ক্রমবর্দ্ধমান অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে গণবিধ্বংসী অস্ত্র রাষ্ট্রবহির্ভূত শক্তিগুলির হাতে চলে আসতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভামরে। ভামরে বলেছেন, প্রতিবেশী দেশের দিক থেকে ভারত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ রেখায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে সেনা ও নিরীহ নাগরিকদের ওপর আক্রমণের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। কাশ্মীরের পরিস্থিতি এখনও একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী দেশের পক্ষে ক্ষতিকর বিপদগুলি কঠোর হাতে মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ধর্মীয় মৌলবাদের বাড়াবাড়ি ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এর প্রচার উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
Before You Go
Aparupa Poddar: 'রামনবমীর মিছিলে হামলায় উস্কানি দিয়েছিল সাকিরই', দাবি NIA-র

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















