Health News: জ্বর-যন্ত্রণায় নিমেষে কাজ দেয়, এই ওষুধ নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র, বিদেশে অনেক আগে থেকেই উৎপাদন-বিক্রি বন্ধ
Nimesulide Ban: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিমেসুলাইড নিষিদ্ধ করার কথা জানানো হয়েছে।

নয়াদিল্লি: গোটা দেশে এবার নিমেসুলাইড (Nimesulide) পেনকিলার ও জ্বরের ওষুধ নিষিদ্ধ করল ভারত সরকার। নিমেসুলাইড উৎপাদন, বিক্রি এবং বিতরণ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, নিমেসুলাইড ফর্মুলেশনে তৈরি ১০০ মিলিগ্রামের বেশি ডোজের যত ট্যাবলেট, সিরাপ রয়েছে, সব নিষিদ্ধ করা হল। পৃথিবীর বিভিন্ন দেখে বহুদিন আগেই নিমেসুলাইড নিষিদ্ধ হয়েছে। ভারতে শিশুদের জন্য নিমেসুলাইড নিষিদ্ধ করেছিল UPA-2 সরকারও। (Nimesulide Ban)
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিমেসুলাইড নিষিদ্ধ করার কথা জানানো হয়েছে। সাধারণত পেনকিলার এবং জ্বরের ওষুধ হিসেবেই নিমেসুলাইড ব্যবহৃত হয়। জনস্বার্থেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। ১০০ মিলিগ্রামের বেশি নিমেসুলাইড ডোজ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানানো হয়েছে। (Health News)
Indian Council of Medical Research (ICMR) দেশের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা। তাদের পরামর্শ অনুযায়ীই নিমেসুলাইড নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। নিমেসুলাইডের বিকল্প, অন্য নিরাপদ ওষুধ যে বাজারে রয়েছে, তাও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিক্স অ্যাক্ট ১৯৪০-এর আওতায়, সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।
The government has banned the manufacture of the painkiller nimesulide and has also prohibited the sale of all oral formulations of this popular painkiller containing more than 100 mg. pic.twitter.com/gfw1DYUlTi
— ANI (@ANI) December 31, 2025
কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন অ্যাপোলো হাসপাতালের ইন্টাকনাল মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট, চিকিৎসক এস চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, অনেক আগেই ওই ওষুধ নিষিদ্ধ হওয়া উচিত ছিল। বহু দেশে আগেই নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, “একাধিক দেশে অনেক আগেই নিমেসুলাইড নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছে। সরকার যে নিমেসুলাইড নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাকে স্বাগত। কারণ যাচ্ছেতাই ভাবে ওষুধটি ব্যবহার করা হচ্ছিস। জ্বর হলে, আঘাত পেলেই খেয়ে নিচ্ছিলেন অনেকে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা ভাবা হচ্ছিল না।” ২০১১ সালেই ১২ অনূর্ধ্ব শিশুদের জন্য নিমেসুলাইড নিষিদ্ধ করেছিল তদানীন্তন UPA-2 সরকার।
এদিন একটি খসড়া বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে কেন্দ্র, যাতে ১৯৪৫ সালের ড্রাগস নীতিতে সংশোধন ঘটানোর প্রস্তাব রয়েছে। K তফসিল থেকে বিশেষ ক্ষেত্রে ‘সিরাপ’ শব্দটি সরানোর কথা বলা রয়েছে খসড়া বিজ্ঞপ্তিতে, যা নির্দিষ্ট কিছু নিয়ন্ত্রক বিধান থেকে অব্যাহতি ওষুধের সঙ্গে সম্পর্কিত।
Check out below Health Tools-
Calculate Your Body Mass Index ( BMI )






















