Pakistan News: ভারতের প্রত্যাঘাতে নিহত ১৪ আত্মীয়, জইশ-প্রধান আজহারকে ১৪ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে পারে পাক-সরকার !
India-Pakistan Conflict: লস্কর-ই-তৈবার ঘাঁটির মতো, 'অপারেশন সিঁদুরে' একই হাল হয় জইশের ঘাঁটিরও।

নয়াদিল্লি : রাষ্ট্রসংঘের তকমা-প্রাপ্ত জঙ্গি মাসুদ আজহারকে ১৪ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে পারে পাকিস্তান সরকার। ৭ মে ভারত যে 'অপারেশন সিঁদুর' চালিয়েছিল, তাতে মাটিতে মিশে যায় পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান জঙ্গিঘাঁটি। সেই প্রত্যাঘাতে আজহারের ১৪ জন আত্মীয় নিহত হয়। ভারতের এই প্রত্যাঘাতে নিহতদের আইনি উত্তরসূরিকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সেই হিসাবে নিহত ১৪ জন আত্মীয়ের জন্য ১৪ কোটি টাকা পেতে পারে জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান তথা জঙ্গি আজহার।
লস্কর-ই-তৈবার ঘাঁটির মতো, 'অপারেশন সিঁদুরে' একই হাল হয় জইশের ঘাঁটিরও। তবে শুধু ঘাঁটি নয়, জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের গোটা হেডকোয়ার্টারই উড়িয়ে দেয় ভারত। বাহওয়ালপুরে জইশের মূল ডেরায় চলে অপারেশন সিঁদুর। আর তাতে, মৃত্যু হয় জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের সহযোগী ও পরিবারের সদস্য় সহ ১৪ জনের। কিন্তু তাতে আফশোস বা হতাশা, কোনওটাই নেই বলে প্রতিক্রিয়াও দেয় জইশ প্রধান মাসুদ আজহার।
প্রত্যাঘাত, প্রত্যুত্তর, প্রতিদান। সব একসাথে, একরাতে। ২৫ ভারতীয়র রক্তে সেদিন ভিজে গেছিল উপত্যকা...। মুছিয়ে দিয়েছিল সিঁদুর। সেই রক্তের রঙেই প্রত্যেক রক্তবিন্দুর হিসেব নেয় ভারত।
মধ্যরাতে হয় 'অপারেশন সিঁদুর।' ধ্বংস করে দেওয়া হয় আরেক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের হেডকোয়ার্টার। পাকিস্তানের বাহওয়ালপুরে জইশের মূল ডেরা উড়িয়ে দেয় ভারতের সশস্ত্র বাহিনী। এরই সঙ্গে উড়িয়ে দেওয়া হয়...মুজফ্ফরাবাদে জইশের সায়েদনা বিলাল ক্যাম্প, ভীমবেরের বরনালা ক্যাম্প, শিয়ালকোটের সরজল ক্যাম্প ও বাহওয়ালপুরের মারকাজ সুভান আল্লাহ।
মাসুদ আজহার ! কুখ্য়াত পাকিস্তানি জঙ্গি। ১৯৯৪ সালে পাকিস্তান থেকে ভারতে ঢোকার পর তাকে গ্রেফতার করেছিল সামরিক বাহিনী। কিন্তু, ১৯৯৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর, ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমান IC 814 হাইজ্যাক করে জঙ্গিরা। শেষ অবধি মাসুদ আজহারকে ছেড়ে দিতে বাধ্য় হয় বাজপেয়ী সরকার। তারপর থেকে বারবার ভারতকে ক্ষতবিক্ষত করেছে মাসুদ ও তার জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। ২০০১ সালে ভারতের সংসদ ভবনে জঙ্গি হানায় ১৪ জনের মৃত্যু। ওই বছরই জম্মু কাশ্মীর বিধানসভার বাইরে বিস্ফোরণে ৩৮ জনের মৃত্যু, ২০১৬ সালে জম্মু-কাশ্মীরের উরিতে সেনা ঘাঁটিতে হামলায় ১৯ জনের প্রাণহানি, সেই বছরেই পাঠানকোটে বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলায় ৮ জনের মৃত্য়ুর নেপথ্যে ছিল এই একটাই নাম মাসুদ আজহার ! আর তার আস্তানা ছিল বাহওয়ালপুরের এই সদর দফতর! তাও মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে ভারতীয় সামরিকবাহিনী ।






















