India-Pakistan Conflict: ভারতের সঙ্গে 'শান্তি'-আলোচনা চাই, বার্তা পাক-প্রধানমন্ত্রীর !
India-Pakistan News: ভারত বরাবর স্পষ্ট করে দিয়েছে, কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অখণ্ড অংশ।

ইসলামাবাদ : ভারতের সঙ্গে শান্তি-আলোচনা চায় পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার এই বার্তা পাঠালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের কামরা বায়ুসেনা ঘাঁটি পরিদর্শনের সময় এই মন্তব্য করেন তিনি। সেখানে তিনি বায়ুসেনা আধিকারিক ও জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলেন। পাক-প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমরা ওদের (ভারতের) সঙ্গে শান্তির জন্য কথা বলতে প্রস্তুত। শান্তি-আলোচনার শর্ত কাশ্মীর ইস্যু।" এদিকে ভারত বরাবর স্পষ্ট করে দিয়েছে, কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অখণ্ড অংশ।
এদিন শেহবাজের সঙ্গে বায়ুসেনা ঘাঁটি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন- উপপ্রধানমন্ত্রী ইশাক দার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ, সেনা প্রধান আসিম মুনির, চিফ অফ দ্য এয়ার স্টাফ, এয়ার চিফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবের সিধু। ১০ মে ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর এটা পাক-প্রধানমন্ত্রীর কোনও দ্বিতীয় সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শন। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর ৬ ও ৭ মে-র মধ্যরাতে 'অপারেশন সিঁদুর' চালায় ভারত। পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া।
দেশে জঙ্গি হামলা হলে কীভাবে, কোন পথে কতটা গভীরে গিয়ে ভারত প্রত্যাঘাত করতে পারে তা পাকিস্তান-সহ গোটা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জইশ, লস্কর-সহ জঙ্গি গোষ্ঠীর হেডকোয়াটার্স, ট্রেনিং সেন্টার, লঞ্চ প্যাড গুঁড়িয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে 'অপারেশন সিঁদুর'-এ মাত্র ৩ ঘণ্টায় পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারত। 'চারদিনের এই দ্বন্দ্বে পাকিস্তান খুব খারাপভাবে পরাস্ত হয়েছে এবং ভারত কূটনৈতিক ও সামরিক...দুইভাবেই জিতেছে' বলে মন্তব্য করেছেন পেন্টাগনের প্রাক্তন আধিকারিক মাইকেল রুবিন। তিনি আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইন্সটিটিউটের সিনিয়র ফেলোও। ভারতের প্রত্যাঘাতে নিহত জঙ্গিদের জানাজায় পাকিস্তানি সেনার অংশগ্রহণের ছবি যখন গোটা বিশ্ব দেখছিল, তখন ভারত কীভাবে জঙ্গিদের সঙ্গে পাকিস্তান এবং তার সামরিক বাহিনীর যোগসাজশের বিষয়টি উন্মোচিত করে দিল, সেই বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন প্রাক্তন এই কূটনীতিক। ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতি নিয়ে মন্তব্য দিতে গিয়ে রুবিন বলেন, "ভারত কূটনৈতিক ও সামরিক উভয় দিক থেকেই এই জয়লাভ করেছে। কূটনৈতিকভাবে ভারতের জয়ের কারণ হল, এখন সমস্ত মনোযোগ পাকিস্তানের জঙ্গি-মদতের উপর। জঙ্গিদের শেষকৃত্যে পাকিস্তানি অফিসারদের পোশাক পরিহিত উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, একজন জঙ্গি এবং আইএসআই বা পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। বিশ্ব দাবি করবে যে, পাকিস্তান যেন তার নিজস্ব ব্যবস্থায় পচন ধরা আটকায়। তাই কূটনৈতিকভাবে ভারত আলোচনার ধরন বদলে দিয়েছে। সামরিকভাবে, পাকিস্তান হতবাক... পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে প্রতিটি যুদ্ধ শুরু করেছে এবং তবুও বিশ্বাস করেছে যে তারা কোনও না কোনওভাবে জিতেছে। পাকিস্তানের পক্ষে নিজেকে বিশ্বাস করা খুব কঠিন হবে যে তারা এই ৪ দিনের যুদ্ধে জিতেছে।"






















