Pakistan News: 'পাকিস্তান আর কোনও যুদ্ধের ভার বহন করতে পারবে না', কেন এই দাবি পাক নেতার?
তিনি বলেন, 'আমরা যেন ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ যুদ্ধ এবং ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধ ভুলে না যাই'

নয়া দিল্লি: পাকিস্তানের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জমায়তে উলামায়ে ইসলামের (এফ) প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান সম্প্রতি যুদ্ধ নিয়ে বড় বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অপ্রয়োজনীয়ভাবে যুদ্ধ না করে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর উচিত সন্ত্রাসবাদ, অর্থনৈতিক সঙ্কট এবং খাইবার পাখতুনখোয়ায় স্থিতিশীল শাসনব্যবস্থার মতো বাস্তব বিষয়গুলিতে মনোনিবেশ করা।
পাকিস্তানের জমায়তে উলামায়ে ইসলামের-এর প্রধান শুক্রবার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর প্রতি তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আফগানিস্তান সম্পর্কে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সেনাবাহিনীর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে বলতে গিয়ে, পশতুন ধর্মগুরু সতর্ক করে বলেছেন যে পাকিস্তান নিজের তৈরি আরেকটি যুদ্ধের ভার বহন করতে পারবে না।
তিনি বলেন, 'আমরা যেন ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ যুদ্ধ এবং ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধ ভুলে না যাই। এগুলো হলো প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান পারভেজ মোশারফ এবং অন্যান্যদের নেতৃত্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বেপরোয়া সামরিক অভিযানের প্রধান উদাহরণ, যা দেশটির ব্যাপক ক্ষতি করেছে।'
পশতুন ধর্মগুরু ফজলুর রহমান এও বলেন, সীমান্তে অপ্রয়োজনীয়ভাবে যুদ্ধ করার পরিবর্তে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর উচিত সন্ত্রাসবাদ, অর্থনৈতিক সংকট এবং খাইবার পাখতুনখোয়ায় সরকারের স্থিতিশীলতার মতো বাস্তব বিষয়গুলিতে মনোনিবেশ করা। তিনি দেশের জনগণের মধ্যে ভয় সঞ্চার করার সেনাবাহিনীর প্রবণতার সমালোচনা করে এটিকে সম্পূর্ণ ভুল বলে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন যে ইসলাম মুসলিম প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অন্যায্য আগ্রাসনকে প্রশ্রয় দেয় না। তিনি আফগানিস্তানের প্রতি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অবস্থানকে অ-ইসলামিক এবং রাজনৈতিকভাবে আত্মঘাতী বলে পরোক্ষভাবে সমালোচনা করেন।
বলা হচ্ছে যে পশতুন ধর্মগুরু ফজলুর রহমানের এই বক্তব্য ভারতের উপর কৌশলগত চাপ হতে পারে।
সম্প্রতি পাকিস্তানের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জমায়তে উলামায়ে ইসলামের (এফ) প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান ভারত সফরের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ভারতকে 'শান্তির বার্তা' পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই সফর করতে চান ফজলুর রহমান। পাকিস্তানি চ্যানেল 'আজ নিউজ'কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দলের এমপি তথা ফজলুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কামরান মুর্তজা এই তথ্য জানিয়েছেন।






















