Fuel Crisis: এবার নিজের কনভয়ে কাটছাঁট মোদির, গাড়ির সংখ্যা কমাতে বললেন, জ্বালানি সঙ্কট কতটা গুরুতর?
Narendra Modi Convoy Size Reduction: নিজের কনভয় ছোট করতে নির্দেশ নরেন্দ্র মোদির। গাড়ির সংখ্যা কমাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী। জ্বালানি বাঁচাতে?

নয়াদিল্লি: নিজের কনভয়ের গাড়ির সংখ্যা কমানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে সর্বত্র। জ্বালানির খরচ বাঁচাতে, দেশবাসীকে পেট্রোল-ডিজেল চালিত গাড়ির পরিবর্তে ট্রেন-মেট্রো অথবা বিদ্যুৎচালিত গাড়ি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন আগেই। এবার নিজের কনভয়ে গাড়ির সংখ্য়া কমিয়ে অর্ধেক করতে নির্দেশ দিলেন। নিজের কনভয়ে বিদ্যুৎচালিত গাড়ি যুক্ত করার কথাও জানিয়েছেন। (Narendra Modi Convoy Size Reduction)
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে Special Protection Group. তাদেরই কনভয়েকর গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে অর্ধেক করতে নির্দেশ দিয়েছেন মোদি। কনভয়ে বিদ্যুৎচালিত গাড়ির সংখ্যা বাড়াতে বলা হয়েছে। তবে নতুন করে গাড়ি যাতে না কেনা হয়, তাও বলে দিয়েছেন মোদি। সেই মতো মোদির কনভয় ছোট করা হচ্ছে। তবে গাড়ির সংখ্যা কমলেও যাতে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় কোনও খামতি না থাকে, তাও দেখছে তারা। (Fuel Crisis)
আরও পড়ুন: সকাল সকাল দুঃসংবাদ, প্রয়াত অখিলেশ যাদবের ভাই, নিথর দেহ পৌঁছয় হাসপাতালে, ঠিক কী ঘটেছে?
প্রধানমন্ত্রীর কনভয়ে সাধারণত একাধিক গাড়ি থাকে। মার্সিডিজ মেব্য়াক S650, রেঞ্জ রোভার, টয়োটা ফরচুনার, জ্যামার ভেহিকল ছাড়াও গাডি চোখে পড়ে। থাকে অ্য়াম্বুল্যান্সও।.
কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের অন্য মন্ত্রী এবং বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও কনভয় ছোট করার দিকে এগোচ্ছেন এক এক করে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবও কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমাতে উদ্যোগী হয়েছেন। সাধারণ মানুষকে জ্বালানি বাঁচাতে উদ্বুদ্ধ করতেই এণন পদক্ষেপ বলে জানা যাচ্ছে। জ্বালানি নিয়ে সাশ্রয়ী হতে, জাতীয় সম্পদ রক্ষার্থে আগেই আহ্বান জানিয়েছেন মোদি।
আরও পড়ুন: সোনার উপর চড়া আমদানি শুল্ক, ৬ থেকে একধাক্কায় ১৫%, ক্ষতির সম্মুখীন কলকাতাও, জীবন-জীবিকা নিয়ে উদ্বেগ
পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার ফলে জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে সর্বত্রই। ভারতও এই সঙ্কটে ভুক্তভোগী। এমন পরিস্থিতিতে রবিবার প্রথম দেশবাসীকে জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান জানান মোদি। পেট্রোল-ডিজেল চালিত গাড়ির পরিবর্তে বিদ্যুৎচালিত পরিবহণকে ভরসা করতে বলেন। বিদেশযাত্রাও আপাতত বন্ধ রাখতে আর্জি জানান সকলকে। করোনার সময় যেমন ওয়র্ক ফ্রম, অনলাইন ক্লাস হচ্ছিল, আবারও সেই উপায় অবলম্বনের উপর জোর দেন।
সঙ্কটের সময় দেশের পাশে দাঁড়াতে সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন মোদি। যদিও সেই নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁকে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি তো বটেই, অর্থনীতিবিদরাও সরব হয়েছেন। ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে যেখআনে পশ্চিম এশিয়া অস্থির, এতদিন সঙ্কট আড়াল করা হল কেন, প্রশ্ন তাঁদের। পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের জেরেই আসল অবস্থা আড়াল করা হয়েছিল বলে অভিযোগ তাঁদের।
যদিও একদিন আগে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতের কাছে অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে ৬০ দিনের। প্রাকৃতিক গ্যাস মজুত রয়েছে ৬০ দিনের এবং ৪৫ দিনের LPG রোলিং স্টক মজুত রয়েছে।























