Sajjan Kumar: বিরলের মধ্যে বিরলতম, প্রাক্তন কংগ্রেস নেতার মৃত্যুদণ্ড চাইলেন আইনজীবী, শিখ বিরোধী দাঙ্গা মামলায়
Sikh Riots 1984:এ প্রসঙ্গে নির্ভয়া কাণ্ডের প্রসঙ্গও টানেন সরকারি কৌঁসুলি।

নয়াদিল্লি: প্রাক্তন কংগ্রেস নেতার মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আদালতে সওয়াল। ১৯৮৪ সালের শিখ দাঙ্গা মামলায় অভিযুক্ত, প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা সজ্জন সিংহের ফাঁসি চাইলেন সরকারি কৌঁসুলি। দিল্লির সরস্বতী বিহারে বাবা ও ছেলেকে খুনের একটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন সজ্জন। (Sajjan Kumar)
সজ্জনের ফাঁসি চেয়ে আদালতে সওয়াল করেছেন সরকারি কৌঁসুলি মণীশ রাওয়ত। সজ্জন যে অপরাধ ঘটিয়েছেন, তাকে ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। যে অপরাধ ঘটিয়েছেন সজ্জন, তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের চেয়ে কম কিছু হতে পারে না বলে আদালতে দাবি করেন করেন সরকারি কৌঁসুলি। (Sikh Riots 1984)
এ প্রসঙ্গে নির্ভয়া কাণ্ডের প্রসঙ্গও টানেন সরকারি কৌঁসুলি। তিনি বলেন, “নির্ভয়া গণধর্ষণ এবং খুনের মামলার চেয়ে এই মামলা গুরুতর। কারণ সেক্ষেত্রে এক তরুণীকে নিশানা করা হয়, এক্ষেত্রে, ইচ্ছাকৃত ভাবে একটি গোটা সম্প্রদায়কে নিশানা করা হয়। এটা বিরলের মধ্যে বিরলতম অপরাধ, যা গণহত্যার সমান।” জনওয়ন্ত এবং তরুণদীপ সিংহকে খুনের অপরাধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন সজ্জন।
আদালতে সরকারি কৌঁসুলি যুক্তি দেন, ওই দাঙ্গার জেরে ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যেতে হয় শিখদের। তাঁদের জীবন ও জীবিকার উপর প্রভাব পড়ে। সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট হয়। ওই দাঙ্গার সময় সজ্জন সাংসদ ছিলেন। অথচ সংসদের মর্যাদার তোয়াক্কা না করে হিংসায় অংশ নেন তিনি। আইন লঙ্ঘন করেন প্রকাশ্যে। অপরাধের গুরুত্ব এবং তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করে সজ্জনকে চরম শাস্তি দেওয়া হোক বলে দাবি করেন সরকারি কৌঁসুলি।
পীড়িত পরিবারের আইনজীবীও সজ্জনের ফাঁসির দাবি তুলেছেন। শিখ দাঙ্গার অন্য একটি মামলায় আগে থেকেই যাবজ্জীবনের সাজা ভোগ করছেন সজ্জন। বিশেষ আদালতের বিচারক কাবেরী বাওয়েজা সজ্জন এবং পীড়িত পরিবারকে লিখিত হলফনামা জমা দিতে বলেছে। ২১ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি।
এই মুহূর্তে দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি সজ্জন। ১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর দাঙ্গা চলাকালীন খুন হন জসওয়ন্ত এবং তাঁর ছেলে তরুণদীপ। প্রথমে পঞ্জাবিবাগ পুলিশ স্টেশনে মামলা দায়ের হয়েছিল। পরে বিশেষ তদন্তকারী দল মামলাটি হাতে নেয়। ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সজ্জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে আদালত। ইন্দিরা গাঁধীর মৃত্যুর বদলা নিতে উন্মত্ত ভিড়, হাতে অস্ত্র নিয়ে শিখদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। লুঠ, অগ্নিসংযোগ, শিখনিধন চলে নির্বিচারে। ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে জেলে সজ্জন। দিল্লি হাইকোর্টে দোষী সাব্যস্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।






















