Punjab Blackout Drill : রাত ৯ টা বাজতেই এলাকা ডুবল অন্ধকারে, 'ব্ল্যাকআউট' করে চলল যুদ্ধের মহড়া!
ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় প্রতিটি রাস্তার মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল, যাতে কোনও ভাবেই নিরাপত্তায় বিঘ্ন না ঘটে।

পঞ্জাব: যে কোনও মুহূর্তে হতে পারে পহেলগাঁও হামলার প্রত্যাঘাত! দেশজুড়ে এখন একটাই প্রশ্ন...পাকিস্তানকে কড়া জবাব দেওয়া হবে কবে? এই আবহেই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ কথা দেশবাসীকে কথা দিলেন, 'আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে আপনারা যেমনটা চাইছেন তেমনটাই হবে।'
পহেলগাঁও কাণ্ডের পর থেকেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড় কোনও পদক্ষেপের আশায় রয়েছে সারা দেশ। এই আবহেই রবিবার পঞ্জাবের ফিরোজপুরে ক্যান্টনমেন্ট সেনা ছাউনিতে আধঘণ্টা ধরে চলে ‘ব্ল্যাকআউট’-এর মহড়া। তবে কি যুদ্ধের প্রস্তুতি চরমে ?
রবিবার রাত রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টা। এলাকায় আলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। পুরো এলাকায় ছিল না আলোকবিন্দুও। এভাবেই ব্ল্যাকআউটের মহড়া দিল ভারতীয় সেনা। ফিরোজপুর ক্যান্টনমেন্ট থানার তরফে জানানো হয়েছে, গতকাল রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ অন্ধকার করে রাখা হয় গোটা এলাকা। স্থানীয়দেরও আগাম জানানো হয়েছিল। তাই তারাও তৈরি ছিল। এভাবেই পাঞ্জাবের ফিরোজপুর ছাউনিতে আধঘণ্টার জন্য ব্ল্যাকআউটের মহড়া দেয় ভারতীয় সেনা। সতর্ক ছিল পুলিশও। ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় প্রতিটি রাস্তার মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল, যাতে কোনও ভাবেই নিরাপত্তায় বিঘ্ন না ঘটে।
জানা গিয়েছে, এদিন সোনার তরফে পঞ্জাবে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা স্টেট পাওয়ার কর্পোরেশনকে একটি চিঠি দেওয়া হয়। সেখানে অনুরোধ করা হয়, যাতে ওই নির্দিষ্ট সময়ে বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হয়। যুদ্ধের সময় ব্ল্যাক আউট রাখা হয় অমেক সময়ই, যাতে শত্রুদেশ জনবসতি চিহ্নিত করে আঘাত হানতে না পারে। এক্ষেত্রে তেমন পরিস্থিতি তৈরি করে সেনা মহড়া দিল রবিবার। এছাড়াও সেনার তরফে ফিরোজপুরের ডেপুটি কমিশনারকে দেওয়া চিঠি দেওয়া হয়। রবিবার সারাদিন জনগণকে মাইকে জানানো হয় ব্ল্যাকআউটের বিষয়টি। প্রশাসনও ছিল তৎপর। বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়, যাতে সেই সুযোগে কেউ কোনও খারাপ কাজ না করতে পারে।
এদিকে সোমবার জম্মু কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রত্যাঘাতে তৎপর । পুঞ্চে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। উদ্ধার করা হয় ৫টি IED, পাউডার জাতীয় বিস্ফোরক, যোগাযোগের যন্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর থেকেই কাশ্মীর উপত্যকাজুড়ে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা ও জম্মু কাশ্মীর পুলিশ। তৎপর স্পেশাল অপারেশন গ্রুপও। পুঞ্চ জেলার সুরানকোট মহকুমার হরি গ্রামে জঙ্গলের মধ্যে জঙ্গিদের ডেরার হদিশ মেলে। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় বিস্ফোরক ও অন্যান্য সরঞ্জাম। ৫টি IED-র মধ্যে ৩টি টিফিন বাক্সের ভিতরে এবং ২টি স্টিলের বালতির মধ্যে রাখা ছিল।






















