Rajasthan Fire: রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে মৃত্যু ৭ জনের
Rajasthan Factory Fire: ওই এলাকায় টহল দিচ্ছিল পুলিশের গাড়ি। তারাই প্রথম দেখতে পায় যে কারখানায় আগুন লেগেছে। দ্রুত দমকলে খবর দেয় পুলিশ। ঘটনাস্থলে আসে দমকলবাহিনী এবং মেডিক্যাল টিম।

Rajasthan Fire: রাজস্থানের ভিওয়ান্ডিতে রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন। পুড়ে মৃত্যু ৭ জন কর্মীর। এখনও ১০ জন কর্মী ভিতরে আটকে রয়েছেন বলে খবর। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহত হয়েছেন অনেক কর্মী। বাড়তে পারে আহতের সংখ্যাও। সোমবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিট নাগাদ আগুন লাগে ওই কারখানায়। সেই সময় কারখানাতে ২০ থেকে ২৫ জন কাজ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। কয়েক মিনিটের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে কারখানার বিভিন্ন অংশে। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে কারখানা। আর রাসায়নিক কারখানা হওয়া আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং বিধ্বংসী আকার নেয় বলে অনুমান করা হচ্ছে। আগুন লাগার পর কয়েকজন কর্মী পালাতে সক্ষম হন। বাকিরা আটকে পড়েন ভিতরেই।
#WATCH | Rajasthan: Seven people burned to death in a fire that broke out in a chemical factory in Bhiwadi of Khairthal-Tijara district. Their bodies have been recovered. Firefighting operations are underway. More details awaited.
— ANI (@ANI) February 16, 2026
(Video Source: Fire Department) pic.twitter.com/VjxVALnjh3
অতিরিক্ত জেলাশাসক সুমিতা মিশ্র জানিয়েছেন, ওই এলাকায় টহল দিচ্ছিল পুলিশের গাড়ি। তারাই প্রথম দেখতে পায় যে কারখানায় আগুন লেগেছে। দ্রুত দমকলে খবর দেয় পুলিশ। ঘটনাস্থলে আসে দমকলবাহিনী এবং মেডিক্যাল টিম। এর পাশাপাশি আসেন জেলাস্তরের আধিকারিকরাও। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। দ্রুত শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। পাশাপাশি চলতে থাকে উদ্ধারকাজও। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। ঠিক কী কারণে ওই কারখানায় আগুন লেগেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত করে দেখবে দমকলবাহিনী। তারপরেই আগুন লাগার সঠিক কারণ জানানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন দমকল কর্মীরা।
কয়েকদিন আগে ভয়ঙ্কর আগুন লেগেছিল কলকাতার ২টি গোডাউনে
কয়েকদিন আগেই কলকাতার আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদে দু'টি গোডাউনে ভয়াবহ আগুন লেগেছিল। একটি ছিল ডেকরেটার্সের গুদাম। অন্যটি একটি মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার গোডাউন ছিল। ডেকরেটার্সের গোডাউন থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে সংলগ্ন মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার গোডাউনে। বিধ্বংসী এই অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে প্রচুর মানুষের। এতটাই ভয়াবহ আগুন লেগেছিল যে উদ্ধার হয়েছিল ভিতরে আটকে পড়া অসহায় কর্মীদের দেহাংশ। সেগুলির ডিএনএ টেস্ট করে তারপর পরিচয় সুনিশ্চিত করা সম্ভব হয়।























