Air India Crash: এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি ইতালির সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে! কী জানাচ্ছে সরকারি তদন্ত ?
Ahmedabad Plane Crash: গত বছর আমদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট ১৭১ দুর্ঘটনার তদন্তকারীরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে দুর্ঘটনাটি কোনও কারিগরি ত্রুটির কারণে ঘটেনি বরং "ইচ্ছাকৃতভাবে" ঘটানো হয়েছিল

নয়া দিল্লি: কেউ যাচ্ছিলেন প্রিয়জনের কাছে...কেউ ফিরছিলেন দেশে...কেউ ছিলেন প্রবাসে ঘর বসানোর স্বপ্নে বুঁদ...। কিন্তু, মাত্র ৯৪ সেকেন্ডেই সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। কী কারণে আমদাবাদে ভেঙে পড়েছিল লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং 'ড্রিমলাইনার'? কেন অকালে ঝরে গেল ২৬০টি প্রাণ? এ নিয়ে এয়ারক্র্যাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো রিপোর্টও পেশ করেছিল। তবে এবার ইতালির একটি দৈনিক পত্রিকা Corriere della Sera জানিয়েছে, গত বছর আমদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট ১৭১ দুর্ঘটনার তদন্তকারীরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে দুর্ঘটনাটি কোনও কারিগরি ত্রুটির কারণে ঘটেনি বরং "ইচ্ছাকৃতভাবে" ঘটানো হয়েছিল। নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনায়যুক্ত দুই সূত্রের খবর দিয়েই প্রকাশিত হয়েছে ওই রিপোর্টটি, এমনটাই দাবি।
ইতালির সংবাদপত্রের বিবরণে অজ্ঞাত সূত্র এবং প্রাথমিক ব্যাখ্যার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। তবে ডিজিসিএ এখনও কোনও ব্যাখ্যা প্রকাশ করেনি।
২০২৫ সালের জুলাই মাসে এয়ারক্র্যাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো প্রকাশিত একটি প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ১২ জুন দুপুর ১টা ৩৭ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডে রানওয়েতে চাকা গড়ায় আমেরিকার বোয়িং কোম্পানির বিমান 'ড্রিমলাইনার'-এর। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি সর্বোচ্চ গতি অর্জন করে। তারপর হঠাৎ, ইঞ্জিনের জ্বালানির সুইচগুলি RUN থেকে CUTOFF হয়ে যায়৷ মুহূর্তের মধ্যে বিমানের গতি এবং উচ্চতা কমতে থাকে। ককপিট ভয়েস রেকর্ডারে শোনা যায়, একজন পাইলট টেক অফের পরেই আরেক পাইলটকে জিজ্ঞাসা করছেন, তুমি ফুয়েল কাট-অফ করলে কেন? দ্বিতীয় জন উত্তর দিচ্ছেন, আমি কিছু করিনি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এরপর ২টি ইঞ্জিনকেই রানে নিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা হয়। ১টা ৩৮ মিনিট ৫২ সেকেন্ড প্রথম ইঞ্জিনকে CUTOFF থেকে RUN মোডে ফেরানো যায়। ১টা ৩৮ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডে দ্বিতীয় ইঞ্জিনকেও RUN মোডে ফেরানো হয়। প্রথম ইঞ্জিন আংশিক কাজ করা শুরু করে। কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যতটা গতির প্রয়োজন তা পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় ইঞ্জিনের ক্ষেত্রেও তাই হয়। ফলে পাওয়া যায়নি প্রয়োজনীয় থ্রাস্ট। ১টা ৩৯ মিনিট ৫ সেকেন্ড... সব চেষ্টা শেষ।
ট্রাফিক কন্ট্রোলকে মে ডে কল দেন পাইলট। টেক অফের পরেই ২টি ইঞ্জিনের বাটন এক সেকেন্ডের ব্যবধানে কীভাবে রান থেকে কাট অফে চলে গেল? সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।
তবে, ইতালীয় সংবাদপত্রটি তাঁদের রিপোর্টে বলেছে, তদন্তকারীরা বিশ্বাস করেন যে বিমানের কমান্ডার ইঞ্জিনের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ সুইচগুলি বন্ধ করে দিয়েছিলেন, যার ফলে বিমানটি শক্তি হারিয়ে মাটিতে পড়ে যায়। ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়াল ছিলেন পাইলট-ইন-কমান্ড, এবং ফার্স্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্দর ছিলেন সহ-পাইলট। যদিও এই রিপোর্টের কোনও সত্যতা নিশ্চিত করেনি সরকারি সূত্র।























