Sharon Raj Murder Case: বিষ মেশানো পানীয় খাইয়ে প্রেমিককে খুন ! সম্পর্ক শেষ করতেই হত্যার ছক, ফাঁসির সাজা প্রেমিকার
Sharon Raj Murder Case: কেরলের শ্যারন রাজ হত্যাকাণ্ডে রায় দিল তিরুঅনন্তপুরমের অতিরিক্ত জেলা সেশনস কোর্ট। বয়ফ্রেন্ডকে বিষ খাইয়ে খুনের অভিযোগ প্রেমিকা গ্রিসমার বিরুদ্ধে। ফাঁসির সাজা হয়েছে গ্রিসমার।

Sharon Raj Murder Case: কেরলে শ্যারন রাজ খুনের মামলায় প্রেমিকার ফাঁসির নির্দেশ। অভিযুক্ত প্রেমিকা গ্রিসমাকে ফাঁসির সাজা তিরুঅনন্তপুরমের অতিরিক্ত জেলা সেশনস কোর্টের। বয়ফ্রেন্ডকে বিষ খাইয়ে খুনের অভিযোগ প্রেমিকা গ্রিসমার বিরুদ্ধে। শ্যারণ রাজ হত্যা মামলায় তৃতীয় অভিযুক্ত গ্রিসমার কাকাকে ৩ বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ। এই ঘটনা বিরল থেকে বিরলতম, এই রায় অভূতপূর্ব, প্রতিক্রিয়া নিহত শ্যারন রাজের পরিবারের আইনজীবীর। নিঁখুত তদন্তের জন্য পুলিশের টিমকে ধন্যবাদ জানাল আদালত।
সহবাসের প্রলোভন দেখিয়ে শ্যারনকে ডেকে যেভাবে খুন করা হয় তা ভুলে গেলে চলবে না। শ্যারন একটি সন্দেহজনক পানীয়র ছবি রেকর্ড করেছিল, যা করতে বারণ করেছিল গ্রিসমা। এই ঘটনা এটাই প্রমাণ করে যে ভুল কিছু হচ্ছে এটা শ্যারন সন্দেহ করেছিল। শ্যারন রাজ ১১ দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেছিল একফোঁটা জল না খেয়ে', মন্তব্য আদালতের। দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্কে ছিল শ্যারন রাজ ও গ্রিসমা। কিন্তু শ্যারনের সঙ্গে পুরনো সম্পর্ক শেষ করে গ্রিসমা অন্য ব্যক্তিকে বিবাহের পরিকল্পনা করেছিল। শ্যারন রাজি না হওয়ায় খুনের ছক গ্রীসমার।
২০২২ সালে খুন হন শ্যারন রাজ। তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৩ বছর। কিন্তু কেন খুন হতে হয়েছিল শ্যারনকে? পুলিশ সূত্রে খবর, সম্পর্কে ইতি টানতে চেয়েছিলেন গ্রিসমা। তাঁর পরিবারের লোক অন্যত্র বিয়ে ঠিক করেছিল। সেই কথা শ্যারনকে জানিয়েছিলেন গ্রিজমা। কিন্তু রাজি হননি তিনি। এরপরই সহবাসের প্রলোভন দেখিয়ে শ্যারনকে বাড়িতে ডেকে আনেন গ্রিজমা। প্রেমিককে খাওয়ান বিষ মেশানো একটি ভেষজ কিংবা আয়ুর্বেদিক পানীয়। বাড়ি ফেরার পথেই অসুস্থ হয়ে পড়ে শ্যারন। নাগাড়ে বমি হতে থাকে তাঁর। শেষ পর্যন্ত ১১ দিন লড়াইয়ের পর থামে তরুণ শ্যারনের জীবনযাত্রা। মৃত্যু হয় তাঁর।
২০২২ সালের ১৪ অক্টোবর শ্যারনকে বিষ মেশানো পানীয় খাওয়ান গ্রিসমা। এর ১১ দিন পর কেরলে একটি মেডিক্যাল কলেজের আইসিইউ- তে মৃত্যু হয় শ্যারনের। এই হত্যা মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন গ্রিসমার মা সিন্ধু। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, সন্তানদের একমাত্র অভিভাবক গ্রিসমা এবং তাঁর বয়সের দোহাই দিয়ে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে মৃত্যুদণ্ড না দেওয়ার। তবে সেই আবেদন খারিজ করেছে কেরলের আদালত। তাদের তরফে জানানো হয়েছে এটা 'কোল্ড ব্লাডেড মার্ডার'। অত্যন্ত রহস্যজনক মৃত্যু। জানা গিয়েছে, কেরলের কনিষ্ঠতম মহিলা গ্রিসমা যাঁরা মৃত্যুদণ্ডের সাজা হয়েছে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার কোনও মহিলাকে ফাঁসির সাজা ঘোষণা করা হয়েছে কেরলে। আর গ্রিসমা হলেন কেরলের ৪০তম দোষী, যিনি প্রাণদণ্ড পেয়েছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বর্তমানে গ্রিসমার বয়স ২৪ বছর।






















