এক্সপ্লোর
আসন্ন উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের

কলকাতা: আসন্ন উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিল কংগ্রেস। আজ প্রদেশ কংগ্রেসের ইলেকশন কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এবার প্রার্থী চূড়ান্ত করবে কংগ্রেস হাইকমান্ড। আগামী ১৯ নভেম্বর কোচবিহার ও তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে এবং মন্তেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তৃণমূল বিরোধী ভোট ভাগাভাগির দায় কার্যত বামেদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে উপনির্বাচনে প্রার্থী দেবার কথা ঘোষণা করে দিল কংগ্রেস। প্রদেশ সভাপতির কথায় বামেরা একতরফা ভাবে প্রার্থী পদ ঘোষণা করে দেওয়ার পর কংগ্রেসের সামনে বিকল্প কোনও রাস্তা খোলা ছিল না। সোমবার প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে নির্বাচনী কমিটির বৈঠকে প্রার্থী তালিকাও তৈরি হয়েছে। প্রদেশ সূত্রের খবর, তালিকা পাঠানো হয়েছে দিল্লিতে। প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করবে হাইকম্যান্ড। বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস-সিপিএম-এর জোটকে উপনির্বাচনেও বহাল রাখতে চেয়েছিল কংগ্রেস। কিন্তু বামেরা তাতে সাড়া দেয়নি। বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর সিপিএম-এর অন্দরেই জোট নিয়ে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়। জোটের প্রশ্নে পিছু হটতে হয় রাজ্য নেতাদের। সেই সঙ্গে চাপ তৈরি হয় ফ্রন্ট শরিকদের দিক থেকেও। ঠিক হয় নভেম্বরের উপনির্বাচনে দুটি লোকসভা ও একটি বিধানসভা কেন্দ্রের সবকটিতেই প্রার্থী দেবে বামেরা। এই পরিস্থিতিতে জোটের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, তৃণমূল বিরোধী ভোট ভাগাভাগি রুখতে কংগ্রেস লড়াইয়ের ময়দানে অনুপস্থিত থাকুক, এই প্রস্তাব ওঠে দলের ভেতর। গত ১৭ তারিখ কংগ্রেস পরিষদীয় দলের বৈঠকের পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির মন্তব্যে সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। যাবতীয় জল্পনার অবসান করে সোমবার অধীর চৌধুরী জানিয়ে দিলেন সিপিএম-এর অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের সামনে ভিন্ন পথ খোলা ছিল না। এই কারণেই বামেদের পাশাপাশি প্রার্থী দেবে কংগ্রেসও। অন্যদিকে, এদিনই প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে এসে অধীর চৌধুরীর হাত থেকে পতাকা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসে ফিরে এলেন হুমায়ুন কবীর।
Before You Go
Taratala News | এই পচা ব্যবস্থাটা কী আদেও পাল্টানো সম্ভব? কী বললেন স্বপন দাস? | ABP ANANDA LIVE

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















