এক্সপ্লোর
যারা সিএএ সমর্থন করে না, তাদের কাছে যাব কেন? তৃণমূলে ফেরার জল্পনা উড়িয়ে জানিয়ে দিলেন শান্তনু ঠাকুর
শান্তনু ঠাকুরকে ফের তৃণমূলে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

সমীরণ পাল, সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়, কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, দীপক ঘোষ, বনগাঁ: যারা সিএএ সমর্থন করে না, তাদের কাছে যাব কেন? তৃণমূলে ফেরার জল্পনা উড়িয়ে জানিয়ে দিলেন শান্তনু ঠাকুর। তবে এই ইস্যুতে এখনও অসন্তুষ্ট বনগাঁর বিজেপি সাংসদ। তাঁকে ফের তৃণমূলে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। যা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ২০ ডিসেম্বর বলেন, ‘করোনার জন্যই আটকে আছে সিএএ। টিকাকরণ শুরুর পর এই নিয়ে ভাবা হবে।’ তবে অমিত শাহের এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন বিজেপি সাংসদ ও সারা ভারত মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুর। তাঁর দাবি, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আমাদের প্রশ্ন, কবে সিএএ লাগু হবে? কাদের কারনেই বা লাগু হচ্ছে না?’ সিএএ কার্যকর না হওয়ায় মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। কিন্তু, এর জেরে কি আবার তৃণমূলে ফিরতে পারেন তিনি? সেই জল্পনাও উস্কে দিয়েছেন খোদ শান্তনুই। তিনি ইঙ্গিত দিতেই তা কার্যত লুফে নিয়েছে তৃণমূল। শান্তনু ঠাকুরকে সরাসরি দলে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি এবং রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। পাল্টা দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ‘শান্তনু একটি সমাজের নেতা, প্রচুর মানুষ আছেন তারা নেতাকে জিজ্ঞাসা করেন। আর জ্যোতিপ্রিয় যদি আহ্বান করেন, ওনার আশীর্বাদ নিয়ে যদি পাপস্খালন করতে চান তাহলে ডাকুন।’ তৃণমূলে থাকাকালীন যাঁর সঙ্গে শান্তনুর বিবাদ ছিল চরমে, সম্পর্কে জ্যেঠিমা সেই মমতাবালা ঠাকুরের গলাতেও এখন কার্যত আপসের সুর। তিনি বলেছেন, ‘পার্টি স্বার্থে একমঞ্চে থাকতে পারি আমরা, কোনও সমস্যা নেই, পারিবারিক সমস্যা থাকতেই পারে, মতের মিল নাও হতে পারে, তবে পার্টি চাইলে একসঙ্গে কাজ করতে আপত্তি নেই।’ কিন্তু, সোমবার আবার তৃণমূলে ফেরার প্রশ্নে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বিজেপি সাংসদ শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, ‘আমি সিএএ কার্যকর হওয়ার জন্য ১৯৭১ সালের পরে আসা মানুষের পক্ষে যাতে যায় তার জন্য আন্দোলন করছি, যারা এর সমর্থনই করছে না সেখানে যাওয়ার প্রশ্ন আসে কী করে। আগে তারা বলুক সিএএ সমর্থন করছে, তারপর আমরা দেখছি কী করা যায়।’ রাজ্যে মতুয়া ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা ৩ কোটির বেশি। ৭৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে মতুয়া ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। গত লোকসভা ভোটে বনগাঁ ও রানাঘাট কেন্দ্র দু’টি তৃণমূলের থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। সিএএ নিয়ে টানাপোড়েনের আবহে একুশের ভোটের ফল কী হবে? সেটাই দেখার।
Before You Go
CM Suvendu Adhikari: 'আগুন লাগালেন, আর ওই আগুনে জ্বলল বাংলা', আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর | ABP Ananda Live

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















