বিজেপির অনাস্থা প্রস্তাবে তৃণমূলের সায়, হারলেন পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান
প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিল বিজেপি। আর তাতেই সমর্থন করলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যরা।

মুন্না অগ্রবাল, দক্ষিণ দিনাজপুর: বিজেপির আনা অনাস্থা প্রস্তাবে সায় দিল তৃণমূল। আস্থা ভোটে হেরে গেলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের ধলপাড়া পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান শেফালি বর্মন। যা নিয়ে কার্যত প্রকাশ্যে চলে এসেছে শাসকদলের গোষ্ঠীকোন্দল।
পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিল বিজেপি । আর তাতেই সমর্থন করলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যরা । ফলে ভোটাভুটিতে হেরে গেলেন শাসক দলের পঞ্চায়েত প্রধান। আর এর পরেই দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি ব্লকের ধলপাড়া পঞ্চায়েতে এই ঘটনায় সামনে চলে এল শাসকের অন্দরের কোন্দল।
ধলপাড়া পঞ্চায়েতে মোট আসন সংখ্যা ১৪ টি । এ দিকে তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা ১০ জন । ৩ জন বিজেপির ,সদস্য । একজন সদস্য মারা যাওয়ায় সেই আসনটি এখন শূন্য রয়েছে । শুক্রবার আস্থা ভোটে প্রধানের বিরুদ্ধে ভোট দেন ১২ জন সদস্য। উল্টো দিকে একটিও ভোট পাননি পঞ্চায়েত প্রধান শেফালি বর্মন।
ঘটনা প্রসঙ্গে ধলপাড়া পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতা ও উপ প্রধান দীপক সাহা বলছেন, 'পঞ্চায়েত প্রধান শেফালি বর্মন দুর্নীতিগ্রস্ত, স্বজনপোষণ করেন, তাই বিজেপির আনা অনাস্থায় সায় দেওয়া হয়েছে। ' অন্যদিকে পঞ্চায়েত প্রধানকে নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে ফাটল দেখা দিতেই জেলা নেতৃত্বের দাবি, ' অঞ্চল কমিটির সিদ্ধান্তেই এ কাজ হয়েছে । '
এ বিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুরে কো-অর্ডিনেটর ও তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য় সুভাষ চাকী জানিয়েছেন, ' অঞ্চল কমিটির সিদ্ধান্তে প্রধানের বিরুদ্ধে ভোট, কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে বলেই সায় দিয়েছে। ' এ দিকে, আস্থা ভোটের আগেই বিজেপিতে ভাঙন দেখা দেয়। তৃণমূলে যোগ দেন গেরুয়া শিবিরের দুই পঞ্চায়েত সদস্য।
তৃণমূলে যোগদানকারী বিজেপি নেতা মৃণাল সরকারের কথায়, পঞ্চায়েতে কাজ করতে পারছিলাম না, তাই তৃণমূলে যোগ দিয়েছি। তবে অন্যদিকে দক্ষিণ দিনাজপুরের বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার জানিয়েছেন, ' লোভ দেখিয়ে দলে যোগদান করিয়েছে, এতে বিজেপির ক্ষতি হবে না। সব মিলিয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধ অনাস্থা নিয়ে সরগরম হিলি। '






















