Stray Dog Attack: কিশোরকে ছিঁড়েখুঁড়ে খেল পথকুকুরের দল, বেরিয়ে এল মুখের হাড় পর্যন্ত, ভয়ঙ্কর ঘটনা বিহারে
Bihar News: স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এমন ভাবে ছেলেটির চামড়া ছিঁড়ে খায় পথকুকুরের দল, যে ভিতরের কঙ্কাল বেরিয়ে আসে।

পটনা: ফের পথকুকুরদের দৌরাত্ম্যে প্রাণহানি। বিহারে প্রাণ গেল ১৩ বছরের কিশোরের। ছেলেটিকে কার্যত ছিঁড়েখুঁড়ে খেল পথ কুকুরের দল। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এমন ভাবে ছেলেটির চামড়া ছিঁড়ে খায় পথকুকুরের দল, যে ভিতরের কঙ্কাল বেরিয়ে আসে। গোটা ঘটনায় শিউরে উঠছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পথকুকুরদের নিয়ন্ত্রণে সরকার কোনও পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ তাঁদের। কারণ একমাস আগেও ওই এলাকায় এমন এক ঘটনা ঘটে। সেবার একটি ছোট মেয়ের প্রাণ যায়। (Stray Dog Attack)
বিহারের সমস্তিপুরে এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ছেলেটির মাংস খুবলে নেয় পথকুকুরের দল। এমন ভাবে চিবিয়ে খায় যে শিশুটির কঙ্কাল বেরিয়ে পড়ে। ছেলেটির বাবা সন্তোস পাসোয়ান জানিয়েছেন, গ্রামের লোকজন মন্দিরে যাচ্ছিলেন। তাঁদের পিছু পিছু যাচ্ছিল তাঁর ছেলেও। খানিকটা পিছিয়ে পড়েছিল একাকী বালক। আর সেই সময়ই হামলা চালায় পথকুকুরের দল। (Bihar News)
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, ছেলেটির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে একদল পথকুকুর। টেনে হিঁচড়ে টেনে নিয়ে যায়। যত ক্ষণে কুকুরের দলকে তাড়াতে ছুটে আসেন সকলে, তত ক্ষণে ছেলেটির মৃত্যু হয়েছে। চোখের সামনে এমন ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটতে দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সকলে। গ্রামের মূল রাস্তা অবরোধ করেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হলেও অনেক দেরিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভও দেখান স্থানীয়রা, ওঠে স্লোগান। নিহত বালকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে সরকারের কাছে দাবি তুলেছেন তাঁরা।
পথকুকুরদের আক্রমণে এই নিয়ে পর পর বেশ কয়েকটি ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে গেল। মাসখানেক আগে, এই সমস্তিপুরে এক বালিকার উপর চড়াও হয় ১৫-২০টি পথকুকুর। কোনও রকমে তাকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যায় মেয়েটি। সেই সময়ও ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয়রা। জানান, পথকুকুরদের উৎপাত নিয়ে বার বার প্রশাসনের কাছে দরবার করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই ঘটনার দু'দিন পর কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের তরফে পশুপালন বিভাগকে চিঠিও দেওয়া হয়। পথকুকুরদের ধরে নিয়ে যেতে আবেদন জানানো হয় তাদের। কিন্তু আজ পর্যন্ত পথকুকুরদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়নি। কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি পথকুকুরদের সরিয়ে নিয়ে যেতেও। স্থানীয়দের দাবি, পর পর এমন ঘটনায় ছেলেমেয়েকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেওয়াই বন্ধ করে দিয়েছেন মা-বাবারা। এমনকি খেলতেও যেতে দেওয়া হয় না তাদের।






















