Trump Munir Meet : 'ফ্রি লাঞ্চ বলে কিচ্ছু হয় না',মুনির,ট্রাম্পের সাক্ষাতের পিছনে বিরাট বড় ৪ কারণ?
প্রাক্তন পুলিশ কর্তার ব্যাখ্যা, বিনামূল্যে কিছুই হয় না। ইংরিজিতে একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ হল "there is no such thing as a free lunch"।

জি-সেভেন বৈঠকের সময়ই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা । তারপরই পাক সেনাপ্রধানের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তলায় তলায় কী সমীকরণ তৈরি করছেন ? কোনও বড় অঙ্ক কষছেন ? হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল বিবৃতি যাই হোক না কেন, মুনিরের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎকে খুব একটা সাদামাটা ভাবে দেখছে না কূটনৈতিক মহলের একাংশ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই সাক্ষাতের পিছনে থাকতে পারে ৪ বড় কারণ। যার কয়েকটি ব্যক্তিগত, কয়েকটি পাকিস্তান ও আমেরিকার স্বার্থেই।
বুধবার, ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনিরকে মধ্যাহ্ন ভোজ খাওয়ান। জানানো হয়, আলোচনায় উঠে আসে ইরান-ইজরায়েল সংঘাত থেকে বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়। হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পরে ট্রাম্প বলেন, তিনিই ভারত পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ থামিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, 'আমি পাকিস্তানকে ভালোবাসি এবং আমার মনে হয় মোদি একজন অসাধারণ মানুষ... গত রাতে আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি।' ট্রাম্প দাবি করেন, তিনিই পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সংঘাত থামিয়েছেন। পাকিস্তানের সেনা প্রধান আসিম মুনির যুদ্ধ বন্ধ করার ব্যাপারে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
কিন্তু বিষয়টা এত সোজা ভাবে দেখতে নারাজ, জম্মু কাশ্মীরের এক দুঁদে প্রাক্তন পুলিশ কর্তা। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিজিপি শেষ পল বৈদের ব্যাখ্যা, বিনামূল্যে কিছুই হয় না। ইংরিজিতে একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ হল "there is no such thing as a free lunch"। বৃহস্পতিবার মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনিরের মধ্যে যে সাক্ষাৎ হয়েছিল , তার পিছনে ৪ টি কারণ দেখছেন তিনি। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় সে-কথার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। বলেছেন, এর আগেও পাকিস্তানের সেনাপ্রধানরা মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। কিন্তু তখন পাকিস্তানে সেনার শাসন ছিল। তখন তাঁরাই ছিলেন রাষ্ট্রের প্রধান। কিন্তু মুনির তো তা নন। তাহলে কি এটা কোনও ইঙ্গিত? আগামী দিনে কি মুনিরকে....? প্রশ্ন রেখেছেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা।
দ্বিতীয়ত, ট্রাম্পের ছেলে একটি ক্রিপ্টো ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তিনি সম্প্রতি পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। তাহলে কি বৈঠকটি ব্যক্তিগত বিষয়ে ছিল? ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে?
তৃতীয়ত, "ইরানের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য আমেরিকার পাকিস্তানে বিমানঘাঁটির প্রয়োজন হতে পারে।"
আর চতুর্থত, আলোচনা হয়ে থাকতে পারে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, এখন জেলবন্দি ইমরান খানকে নিয়ে। ইমরান একজন জনপ্রিয় নেতা। তাকে নিয়েই কি মুনির ট্রাম্পের কথাবার্তা হয়েছে ? এই কারণগুলোর মধ্যে কোনটা ঠিক, উত্তর দেবে সময়ই।






















