Donald Trump : হরমুজ খুলতে সাহায্য না করলে...এবার চিনকে বড় হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের !
ট্রাম্প বলেন, আন্তর্জাতিক শিপিং রুট, হরমুজ খোলা রাখা জরুরি এবং যারা সুবিধা ভোগ করছে, তারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরান নিয়ন্ত্রণ জারি করেছে হরমুজ প্রণালীতে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচলে (Iran controls Strait of Hormuz shipping)। তার প্রভাব পড়েছে সমগ্র বিশ্বে (Global impact on oil shipping)। বিশ্বজুড়ে বহু দেশেই তীব্র হচ্ছে জ্বালানি সঙ্কট (Global energy crisis)। চাপে পড়েছে আমেরিকাও (US under pressure)। কারণ আমেরিকা ও ইজরায়েলের জাহাজকে হরমুজ পার করতে দেওয়া হবে না (US Israel shipping blocked by Iran), এখনও সিদ্ধান্তে অনড় ইরান (Iran firm stance Strait of Hormuz)।
এই পরিস্থিতিতে হরমুজ হয়ে জাহাজ চলাচল সুরক্ষিত করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশকেই এককাট্টা হওয়ার আর্জি জানাচ্ছে আমেরিকা (US calls for international coalition Strait of Hormuz)। তার মধ্যে আছে চিনও (China involvement Strait of Hormuz) ! হরমুজ জট কাটাতে কার্যত আন্তর্জাতিক জোট গঠনের পথে এগোচ্ছে আমেরিকা (US pushing international alliance for Strait security)।
বিশ্বের মোট তেল পরিবহণের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে যায় (20% global oil via Strait of Hormuz), ফলে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বেড়েছে (Global fuel prices rise)। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে জব্দ করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে হাত মেলাতে আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প (Trump urges countries to secure Strait of Hormuz)। তার মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন, চিন, ফ্রান্স, জাপান (South Korea, UK, China, France, Japan involvement)।
সম্প্রতি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠক আসন্ন (Trump meeting Xi Jinping upcoming)।
চিন যদি সাহায্য না করে তবে...
ট্রাম্প আশা করছেন, বৈঠকের আগেই চিন হরমুজ প্রণালী আবার চালু করতে সহায়তা করবে (Trump expects China help reopen Strait of Hormuz)। কারণ, চিনও দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল সংগ্রহ করে এই হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করে (China imports 90% oil via Strait of Hormuz)। এই মাসের শেষের দিকেই চিনের সঙ্গে আমেরিকার বৈঠকের কথা (US China summit late March)। তবে তার আগেই বেজিংথেকে জবাবের আশায় রয়েছেন ট্রাম্প (Trump awaiting China response)।
ওই সাক্ষাৎকারেই ট্রাম্প কার্যত হুঁশিয়ারির সুরেই বলেন, হরমুজ প্রণালীর এই অচলাবস্থা সমাধানে চিন যদি সাহায্য না করে তবে তিনি বেইজিংয়ে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আসন্ন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক স্থগিত করতে পারেন বা পিছিয়ে দিতে পারেন (Trump may delay Xi Jinping summit if China uncooperative)।
এই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেন, যে সব দেশ এই প্রণালী থেকে সুবিধা পায়, তাদেরই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সাহায্য করা উচিত (Countries benefiting from Strait must secure it)। ট্রাম্প বলেন, ইরানের আক্রমণের পর আন্তর্জাতিক শিপিং রুট খোলা রাখা জরুরি। তিনি আশা করেন, এই বিষয়ে চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন, সবারই সাহায্য করা দরকার (China, France, Japan, South Korea, UK help Strait security)।























