Black Magic at Lilavati Hospital: আর্থিক তছরুপের পর ‘কালা জাদু’ তত্ত্ব, দেশের প্রথম সারির হাসপাতালের গোপন কুঠুরিতে হাড়গোড়, মাথার চুল!
Lilavati Hospital Mumbai: দেশের প্রথম সারির চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য হয় মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতাল।

মুম্বই: দেশের অন্যতম সেরা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। রাজনীতিক থেকে মায়ানগরীর তাবড় তারকাদের আনাগোনা সেখানে। মুম্বইয়ের সেই লীলাবতী হাসপাতালই এখন খবরের শিরোনামে। চিকিৎসা পরিষেবার জন্য নয়, কোটি কোটি টাকা তছরুপ হয়েছে সেখানে। পাশাপাশি, হাসপাতালে ‘কালা জাদু’র চল ছিল বলেও উঠছে অভিযোগ। (Black Magic at Lilavati Hospital)
দেশের প্রথম সারির চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য হয় মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতাল। কিন্তু সম্প্রতি সেই হাসপাতালকে ঘিরে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। লীলাবতী হাসপাতালের ট্রাস্টিদের অভিযোগ, পূর্বতন ট্রাস্টিরা হাসপাতাল থেকে ১৫০০ কোটি টাকা পাচার করে দিয়েছেন। এখন আবার উঠে আসছে ‘কালা জাদু’র তত্ত্বও। (Lilavati Hospital Mumbai)
লীলাবতী কীর্তিলাল মেহতা মেডিক্যাল ট্রাস্টের সদস্য়দের দাবি, হাসপাতাল চত্বরে ‘কালা জাদু’ করা হয়েছে। এমন আটটি কলসি পাওয়া গিয়েছে, যার মধ্যে মানুষের হাড়গোড়, মাথার চুল রয়েছে। থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে বিষয়টি নিয়ে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কাছেও জমা পড়েছে অভিযোগ। ট্রাস্টের প্রাক্তন সদস্যদের বিরুদ্ধে তিনটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। আর্থিক তছরুপের জন্য হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে বলে অভিযোগ।
ট্রাস্টের স্থায়ী সদস্য প্রশান্ত মেহতা জানিয়েছেন, তিনটির বেশি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ট্রাস্টের প্রাক্তন সদস্য এবং অন্যদের বিরুদ্ধে হয়েছে এফআইআর। ‘কালা জাদু’ এবং অলৌকিক শক্তির আরাধনা নিয়ে বান্দ্রা থানায় জমা পড়েছে অভিযোগ। হাসপাতালের মর্যাদা রক্ষার্থেই এমন পদক্ষেপ বলে জানান তিনি।
দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর লীলাবতী হাসপাতালের ট্রাস্টের নিয়ন্ত্রণ পান বর্তমান সদস্যরা। এর পর অডিট করানো হয় বিশেষজ্ঞদের দিয়ে। তাতেই ভূরি ভূরি অনিয়ম, দুর্নীতি চোখে পড়ে। হাসপাতালের তহবিলের টাকা অন্যত্র পাচার করা হয় বলেও অভিযোগ। বলা হয়েছে,সব মিলিয়ে ১৫০০ টাকার তছরুপ ধরা পড়েছে। দুবাই এবং বেলজিয়ামে সেই টাকার বড় অংশ পাচার হয়।
হাসপাতালে ‘কালা জাদু’ করা হতো হসে অভিযোগ তুলেছেন হাসপাতালের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর তথা মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার পরমবীর সিংহ। তিনি বলেন, “হাসপাতালের কর্মীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ট্রাস্টিদের যে ঘর, তার নীচের ফ্লোরেই ‘কালা জাদু’ করা হতো। সাক্ষীদের দাঁড় করিয়ে, ভিডিওগ্রাফি করে আমরা নীচের ওই ফ্লোর খুঁড়তে শুরু করি। সেখানে আটটি কলসি মেলে। কলসির মধ্যে মানুষের হাড়, মাথার চুল, চাল এবং অন্যান্য সামগ্রী ছিল, যা ‘কালা জাদু’ করতে ব্যবহৃত হয়।” পুলিশের কাছে গেলেও প্রথমে অভিযোগ নেওয়া হয়নি, বাধ্য হয়ে তাঁরা আদালতে যা সরাসরি এবং সেখান থেকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরমবীর।






















