Vishwa Hindu Parishad: ‘সন্ত্রাসের ধর্ম নেই কে বলল? মুর্শিদাবাদ হোক বা কাশ্মীর, অবশ্যই আছে’, বলছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা
Surendra Jain: মঙ্গলবার জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিরা হামলা চালায়, যাতে ২৬ পর্যটকের প্রাণ চলে গিয়েছে।

নয়াদিল্লি: জঙ্গি হামলায় ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। এবার আর স্থানীয় বাসিন্দা নন, বাইরে থেকে যাওয়া পর্যটকদের খুন করেছে জঙ্গিরা। গোটা ঘটনায় উপত্যকার নিরাপত্তা নিয়ে যখন প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা, সেই সময় সন্দেহভাজন জঙ্গিদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে সরব হল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। তাদের দাবি, ‘সন্ত্রাসের ধর্ম আছে। (Vishwa Hindu Parishad)
মঙ্গলবার জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিরা হামলা চালায়, যাতে ২৬ পর্যটকের প্রাণ চলে গিয়েছে। এই পরিস্থিতি কেন তৈরি হল, আগে থেকে গোয়েন্দারা সতর্ক করলেও কেন পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হল না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্য়াগের দাবি তুলছেন বিরোধীরা। আর সেই আবহেই জঙ্গিদের ধর্মপরিচয় নিয়ে সরব হল VHP. (Surendra Jain)
পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলা নিয়ে বুধবার মুখ খোলেন VHP-র যুগ্ম সচিব সুরেন্দ্র জৈন। পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলাকে তিনি ‘ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের যুদ্ধ ঘোষণা’ বলে উল্লেখ করলেন। তাঁর দাবি, নয়ের দশকের পরিস্থিতি ফিরে আসছে কাশ্মীরে। ভারতের মুসলিম নেতারা এই হামলা নিয়ে রা কাড়ছেন না বলেও অভিযোগ করলেন তিনি।
Press Statement:
— विनोद बंसल Vinod Bansal বিনোদ বনসল వినోద్ బన్సాల్ (@vinod_bansal) April 23, 2025
Strong & Quick response to Pak Jihadi war against Bharat needed: VHP
VHP & Bajrang Dal hold a Nationwide protest on 25th April
New Delhi. April 23, 2025. Dr. Surendra Jain, Central Joint General Secretary of Vishwa Hindu Parishad, while condemning the horrific… pic.twitter.com/FJ65ekfZ30
সুরেন্দ্রর বক্তব্য, “পহেলগাঁওয়ে যেভাবে পর্যটকদের খুন করা হয়েছে, যেভাবে তাদের প্যান্ট খোলা হয়েছে, কলমা পড়তে বলা হয়েছে এবং পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়া হয়েছে…পর্যটকরা মুসলিম নয়, হিন্দু বলে আগে নিশ্চিন্ত হয় জঙ্গিরা। গোটা ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এই অমানবিক ঘটনায় গোটা দেশ স্তম্ভিত, ক্ষুব্ধ। কেউ কেউ বলেন সন্ত্রাসের কোনও ধর্ম হয় না। কিন্তু এই ঘটনায় স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, সন্ত্রাসের অবশ্যই নিজের একটি ধর্ম আছে। আর ধর্মের নামে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, সে মুর্শিদাবাদ হোক বা কাশ্মীর। ”
কাশ্মীরের ঘটনায় উপত্যকার মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লা, পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি, AIMIM সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি ইতিমধ্যেই নিন্দায় সরব হয়েছেন। ধর্ম জিজ্ঞেস করে নিরীহদের গুলি করে মারার কোনও ক্ষমা হয় না, জঙ্গিদের কড়া শাস্তি দিতে হবে বলে দাবি তুলেছেন তাঁরা। কিন্তু সুরেন্দ্রর অভিযোগ, “এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে দেশের মুসলিম নেতারা চুপ কেন? ওয়াকফ আইন নিয়ে মিথ্যে ভয় দেখাতে পারেন মানুষকে, অথচ কাশ্মীরে নিহত নিরীহ হিন্দু পুণ্যার্থীদের জন্য প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নামতে পারেন না? এটা মেনে নেওয়া যায় না। ”
সুরেন্দ্র আরও বলেন, “এই জঙ্গি হামলার মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য়ে যুদ্ধ ঘোষণা করল পাকিস্তান। পাকিস্তানের ইসলামি জিহাদি এবং কাশ্মীরে তাদের স্লিপার সেলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের সময় এসেছে। ধর্মীয় সন্ত্রাসকে ধ্বংস করতে হবে, যাতে আগামীতে মাথা তুলতে না পারে। কয়েক দিন আগে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান কাশ্মীর ফেরত নেওয়ার কথা বলেছিলেন. হতে পারে সেই লক্ষ্যেই জিহাদিরা এখানে হামলা চালাচ্ছে। আমাদের এই বাস্তুতন্ত্রটা বুঝতে হবে। আগামী দিনে পাকিস্তানের নেতারা যেন কাশ্মীরের নামও উচ্চারণ করতে না পারে।”






















