পুলিশ সেজে কাবুলে টিভি স্টেশনে হামলা, নিহত ২, দায়স্বীকার আইএস-এর

কাবুল: ফের রক্তাক্ত আফগানিস্তান। পুলিশের বেশে কাবুলের একটি টিভি স্টেশনে ঢুকে বড়সড় হামলা চালাল জঙ্গিরা। শেষ খবর মেলা পর্যন্ত, ২ জন মারা গিয়েছেন। আহত বহু। হামলার দায়স্বীকার করেছে আইএস।
সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, এদিন সকালে শামশাদ টিভি স্টেশনে হামলা চালায় জঙ্গিরা। আগ্নেয়াস্ত্র ও গ্রেনেড নিয়ে প্রায় তিন-ঘণ্টা ধরে অপারেশন চালায় জঙ্গিরা।
জানা গিয়েছে, প্রথমে এক আত্মঘাতী হামলাকারী স্টেশনের গেটের কাছে নিজেকে উড়িয়ে দেয়। আরেক জঙ্গি ভেতরে ঢুকে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে মেরে ছাদে গিয়ে বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি করতে থাকে। আরেকজন, দফতরের মধ্যে এলোপাথারি গুলি ও গ্রেনেড বর্ষণ শুরু করে। দফতরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
খবর পেয়েই দ্রুত পৌঁছয় আফগান স্পেশাল ফোর্স। দুপক্ষের মধ্যে গুলি-বিনিময় হয়। অবশেষে টিভি স্টেশনকে জঙ্গিমুক্ত করে বাহিনী। ভেতরে পণবন্দি হয়ে থাকা সাংবাদিক ও কর্মীদের নিরাপদে বের করে আনা হয়।
হামলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ফের কাজ শুরু করে হয় স্টেশনে। চ্যানেলটি অন-এয়ার হয়। চ্যানেলের অধিকর্তা আবিদ এহসাস জানান, এই হামলা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হামলা। কিন্তু তারা এভাবে থামাতে পারবে না।
এহসাস জানান, পুলিশ সেজে জঙ্গিরা এদিন হামলা চালিয়েছিল। হামলার আগে কোনও প্রকার হুমকিও আসেনি। তিনি যোগ করেন, হামলা শুরু হতেই, অনেক কর্মী দফতরের পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। কেউ কেউ জানলা দিয়ে লাফ দিয়ে পালান। কিছু কর্মী ভেতরে আটক হয়ে পড়েন।
স্টেশনের সিসিটিভি-তে তিন হামলাকারীকে ভেতরে ঢুকতে দেখা গিয়েছে। আফগান অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী নাজীব দানিশ জানান, ২ জন মারা গিয়েছেন। পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজন দমকলকর্মী রয়েছেন।
এদিনের হামলার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট। গোষ্ঠীর মুখপত্র আমাক-এর মাধ্যমে তারা এই দায়স্বীকার করে। এর আগে, টুইটার পেজে হামলার দায় অস্বীকার করে তালিবান।
Before You Go
ISKCON removes Radharaman Das: রাধারমণ দাসকে সমস্ত পদ থেকে সরাল ইস্কন
সেরা শিরোনাম






















