Divorce Case: বিয়ের ৪৪ বছর পর সম্পর্কে ইতি, জমি বেচে ৩ কোটি খোরপোশ জোগালেন বৃদ্ধ কৃষক
Haryana Farmer Ends Marriage: বিয়ের ৪৪ বছর পরে সম্পর্কে ইতি, বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে স্ত্রীকে ৩ কোটির খোরপোশ দিতে বাধ্য হলেন সত্তরের কৃষক। সঞ্চয় ছিল না, আস্ত একটা জমি বেচে খোরপোশ জোগালেন তিনি।

হরিয়ানা: বিয়ের ৪৪ বছর পরে সম্পর্কে ইতি, বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে স্ত্রীকে ৩ কোটির খোরপোশ দিতে বাধ্য হলেন সত্তরের কৃষক। সঞ্চয় ছিল না, আস্ত একটা জমি বেচে খোরপোশ জোগালেন তিনি। ১৮ বছর ধরে চলছিল মামলা। এবার সেই মামলায় (Divorce Case) ছেদ পড়ল। হরিয়ানার কৃষক সুভাষ চাঁদের সঙ্গেই ঘটেছে এই ঘটনা। তাঁর ৭৩ বছর বয়সী স্ত্রী সন্তোষ কুমারী ৪৪ বছরের দাম্পত্য সম্পর্কের বিচ্ছেদের দরুণ ৩.১ কোটি টাকা খোরপোশ চেয়ে নিয়েছেন।
আর বিবাহবিচ্ছেদের এই মামলার নিষ্পত্তি করতে সুভাষচাঁদ নিজের জমি বিক্রি করেন, সমস্ত ফসলও বেচে দেন। এমনকী ৪০ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনা-রুপোর গয়নাও দিয়ে দেন তাঁর স্ত্রীকে। পঞ্জাব ও হরিয়ানা উচ্চ আদালতের নির্দেশে জানিয়েছে, কৃষকের সম্পত্তির উপর তাঁর মৃত্যুর পরে স্ত্রী ও পুত্রের কোনো অধিকার থাকবে না।
১৯৮০ সালের ২৭ অগাস্ট সেই কৃষক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন, তাদের চার সন্তান রয়েছে। তাদের মধ্যে এক সন্তানের মৃত্যুও হয়েছে। ২০০৬ সালেই মানসিকতার ফারাকের কারণেই দুজনে সম্মতিক্রমে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন। আর তারপর থেকেই মামলা চলেছে এবং দুজনে আলাদা থাকতে শুরু করেন। মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এই মর্মে বিচ্ছেদের মামলা করেছিলেন কৃষক সুভাষচাঁদ। ২০১৩ সালে তাঁর প্রাথমিক আবেদন খারিজ করে দেয় কর্ণাল পারিবারিক আদালত।
কিন্তু হাল ছেড়ে দেননি তিনি, পঞ্জাব ও হরিয়ানা উচ্চ আদালতে আবারও মামলা দায়ের করেন তিনি। কিন্তু সেখানে ১১ বছর ধরে মামলা বিলম্বিত হয়েছিল, ২০২৪ সালের ৪ নভেম্বর তাদের মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয় আদালত। কৃষক সুভাষচাঁদের আইনজীবী রাজিন্দর গোয়েল ব্যাখ্যা করে বলেন, এই মামলা নিষ্পত্তির জন্য ডিমান্ড ড্রাফট দিতে হবে ২.১৬ কোটি টাকার, ফসল বিক্রি করে দিতে হবে ৫০ লক্ষ টাকা নগদ এবং ৪০ লক্ষ টাকার সোনা-রুপোর গয়না দিতে হবে তাঁর স্ত্রীকে খোরপোশ হিসেবে।
আর এই মামলার চুক্তি অনুযায়ী এরপরে সুভাষচাঁদের সম্পত্তিতে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো অধিকার থাকবে না। আদালত দুজনের সম্মতিক্রমে গত সপ্তাহেই এই মামলার নিষ্পত্তি করেছে এবং বিবাহবিচ্ছেদে রায় দিয়েছে। উচ্চ আদালতের বেঞ্চে উপস্থিত বিচারক সুধীর সিং এবং যশজিৎ সিং বেদি সেই চুক্তিতে সম্মত হয়েছেন এবং বিবাহ বিচ্ছেদে সম্মতি জানিয়েছেন।























