Desert Village: পানীয় জল নেই, একে একে ঘর ছেড়েছেন ৫০০০ মানুষ ! এই গ্রাম এখন সাক্ষাৎ ‘মরুভূমি’
Tamil Nadu News: এই গ্রামেরই এক বাসিন্দা জানান, ‘আমাদের গ্রামের নাম নাড়াগুড়ি, শিবগঙ্গা থেকে ১৫ কিমি দূরেই এই গ্রাম। একসময় এখানেও বহু লোক বাস করতেন।'

Water Scarcity: একসময় এখানেই থাকতেন ৫ হাজার মানুষ। আজ জনশূন্য গোটা গ্রাম। বসতি নেই, ঘর-বাড়ি ফাঁকা পড়ে আছে। কোলাহল নেই, শুধু হাওয়ার শনশন, পাশের প্রান্তর থেকে উড়ে আসা ধুলো-বালির চলাচল। যেন সাক্ষাৎ ‘মরুভূমি’। একে একে সকলেই ছেড়ে চলে গিয়েছে এই গ্রাম। তামিলনাড়ুর শিবগঙ্গা জেলার নাড়াগুড়ি গ্রামে এখন আর কেউ থাকে না। জল নেই বহুদিন। পানীয় জলের অভাব আর সাধারণ সুযোগ-সুবিধের অভাবের কারণেই হাজার পাঁচেক মানুষ চলে গিয়েছে এই গ্রাম ছেড়ে। পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা নেই এই গ্রামে, ফলে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছিল গ্রামবাসীদের। আর এই সমস্যার সঙ্গে যুঝে উঠতে পেরেই গ্রাম ছেড়েছেন সকলে।
সংবাদমাধ্যমকে এই গ্রামেরই এক বাসিন্দা জানান, ‘আমাদের গ্রামের নাম নাড়াগুড়ি, শিবগঙ্গা থেকে ১৫ কিমি দূরেই এই গ্রাম। একসময় এখানেও বহু লোক বাস করতেন। পানীয় জলের অভাব ও অন্যান্য সাধারণ সুযোগ-সুবিধের অভাবের কারণে এই গ্রাম ছেড়ে ধীরে ধীরে মানুষজন চলে যেতে শুরু করে। শুধু তাই নয় কয়েকদিন আগে এই দুই গ্রামবাসী এখানে খুন হন। আর তাই নিরাপত্তার অভাব বুঝতে পেরেই সকল গ্রামবাসী এলাকা ছেড়ে চলে যান। পরিবারগুলির মধ্যে ভয় জাঁকিয়ে বসেছিল।’
#WATCH | Sivaganga, Tamil Nadu | Nadagudi village of Sivaganga, once a home to over 5,000 people, left deserted as the village suffers a persistent lack of drinking water.
— ANI (@ANI) August 4, 2025
For many years, there has been no proper water supply, causing immense hardship to the community.… pic.twitter.com/sIE1TadHRW
তিনি জেলাশাসক ও মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন যাতে এই গ্রামে যথাযথ নিরাপত্তা, সুরক্ষা, পানীয় জলের ব্যবস্থা, স্কুল ইত্যাদির সুবিধে যেন দেওয়া হয় যাতে গ্রামবাসীরা আবার এখানে ফিরতে পারে এবং নির্বিঘ্নে জীবনযাপন করতে পারে। এর আগে ২৩ জুলাই শিবগঙ্গা জেলার মডপ্পুরম মন্দিরের রক্ষী অজিত কুমার খুনের মামলায় মাদ্রাজ উচ্চ আদালতের মাদুরাই বেঞ্চ মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন। আদালতের রায়ে মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। আবার অন্য এক ডিভিশন বেঞ্চ সরকারের এই বিষয়ে বিরোধিতা করে এই ক্ষতিপূরণ ২৫ লক্ষ করার প্রস্তাব রেখেছে।
শিবগঙ্গার তিরুপ্পুভনম এলাকায় মডপুরম কালিয়াম্মান মন্দিরে নিরাপত্তা রক্ষীর কাজ করতেন অজিত কুমার। একটি চুরির ঘটনায় তাঁকে আটক করে থানায় এনে জেরা করা হচ্ছিল আর পুলিশি হেফাজতে থাকার সময়েই তাঁর মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তে জানা গিয়েছে অজিতের দেহে ৪৪টি ক্ষতিচিহ্ন মিলেছে বিভিন্ন অংশে। কপালে, বাম দিকের ভ্রু-তে, পায়ে ও কবজিতে ক্ষতচিহ্ন ছিল অজিতের।






















