এক হচ্ছে সঙ্গীত। আরকটি হচ্ছে অমর সঙ্গীত। আজকের দিন, অর্থাৎ ২৭ জুন, দেশের এমন এক সঙ্গীত পরিচালকের জন্ম হয়েছিল, যিনি হিন্দি সিনেমায় সুরের এমন সঙ্গম জুড়ে দিয়েছিলেন যে, তা চিরকালের জন্য অমর হয়ে গিয়েছে।
2/6
আমরা বলছি, আর ডি বর্মণের কথা, যাঁকে সকলে ভালবেসে পঞ্চম দা বলে ডাকতেন। গত শতাব্দীর ছয়ের থেকে আটের দশকে হিন্দি সিনেমায় এমন একের পর এক হিট গান উপহার দিয়েছেন আর ডি বর্মণ, যা আজও লোকের মুখে মুখে ফেরে।
3/6
শোনা যায়, মাত্র ৯ বছর বয়সেই গান কম্পোজ করে ফেলেছিলেন আর ডি বর্মণ। সঙ্গীতের দুনিয়ায় তাঁর এই সফর যতটা আকর্ষণীয়, ঠিক ততটাই মজার তাঁর পঞ্চম দা- হয়ে ওঠার গল্প।
4/6
শোনা যায়, যখন আর ডি বর্মণের জন্ম হয়েছিল, তখন তাঁর বাবা সচিন দেব বর্মণকে অভিনন্দন জানাতে বাড়িতে পৌঁছন অশোক কুমার। তিনি গিয়ে দেখেন, ছোট্ট রাহুল দেব চিৎকার করে কাঁদছে। সেই শুনে, অশোক কুমার মজা করে বলেছিলেন, এই শিশু তো দেখছি পঞ্চম সুরে কাঁদে। ব্যাস, সেই থেকেই রাহুল দেব বর্মণের নাম হয়ে যায় পঞ্চম। পরে, তাঁকে পঞ্চম দা বলে ডাকতে শুরু করে গোটা ইন্ডাস্ট্রি।
5/6
সাতের দশকে বলিউডের পরিচিত সঙ্গীত পরিচালক হয়ে উঠেছিলেন আর ডি বর্মণ। তিনি লতা মঙ্গেশকর, মহম্মদ রফি, আশা ভোঁসলে এবং কিশোর কুমারের সঙ্গে অনেক সুপারহিট গান উপহার দিয়েছেন। কিশোর কুমারের সঙ্গে আর ডি বর্মণের দারুন সম্পর্ক ছিল। তাঁর সঙ্গীতের জাদুতে আজও লোক মোহিত। ভারতীয় সিনেমায় যখনই আধুনিক সঙ্গীতের কথা ওঠে, তখন সকলের আগে, তাঁর নাম নেওয়া হয়।
6/6
১৯৩৯ সালে কলকাতায় জন্ম হয় আর ডি বর্মণের। প্রথমে বাবার অর্কেস্ট্রার সদস্য ছিলেন তিনি। আর ডি বর্মণকে পরিচিতি এনে দেয় 'সর যো তেরা চকরায়ে...' গানের সুর।