প্রতি বছর ১৪ জুলাই হাঙর সচেতনতা দিবস হিসেবে পালন করা হয়
1/11
প্রতি বছর ১৪ জুলাই হাঙর সচেতনতা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। মূলত হাঙর সংরক্ষণের বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই দিনটি পালন করা হয়।
2/11
পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে, প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে হাঙর। তাই এই প্রাণীটিকে বাঁচিয়ে রাখা জরুরি।
3/11
সমুদ্রে হাঙর অন্যতম বিপজ্জনক প্রাণী হলেও, শিকারীদের দাপটে এখন তারা বিপন্ন। প্রতি বছর যেভাবে নির্বিচারে হাঙর শিকার করা হচ্ছে, তাতে হাঙরের অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়ে যাচ্ছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। সেই কারণেই তাঁরা হাঙর সংরক্ষণের উপর জোর দিচ্ছেন।
4/11
প্রতি বছর প্রায় ১০ কোটি হাঙর শিকার করা হয়। গত ৫০ বছরে হাঙরের সংখ্যা ৭০ শতাংশ কমে গিয়েছে। এর ফলে সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
5/11
এই কারণেই এখন হাঙর সংরক্ষণ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পরিবেশ রক্ষা করতে গেলে হাঙরকে বাঁচিয়ে রাখতেই হবে, বলছেন বিজ্ঞানী ও পরিবেশবিদরা।
6/11
হাঙরের বিষয়ে মানুষের ভয় দূর করার পাশাপাশি এই প্রাণীটির বিষয়ে সচেতন করারও চেষ্টা করছেন পরিবেশবিদরা।
7/11
বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন প্রাণী হল হাঙর। কিন্তু মানুষের জন্য তারাই এখন বিপদগ্রস্ত।
8/11
হাঙরের গড় বয়স হয় ৩০ বছর। তবে একেকটি প্রজাতির হাঙর ১০০ বছর বা তার বেশিদিনও বেঁচে থাকে। সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ডে ২৭২ বছর বয়সি একটি হাঙর পাওয়া গিয়েছে।
9/11
হাঙরের প্রধান অস্ত্র হল ধারাল দাঁত। এই দাঁতের সাহায্যেই শিকার করে হাঙর। এদের আর একটি বৈশিষ্ট্য হল, এরা বিদ্যুতের বিষয়ে সংবেদনশীল।
10/11
হাঙরের শরীরে কোনও হাড় থাকে না। শুধু ধারাল দাঁত থাকে।
11/11
হাঙরের বিভিন্ন প্রজাতির প্রজনন পদ্ধতি আলাদা। কোনও প্রজাতির হাঙর ডিম দেয়, আবার কোনও প্রজাতি সরাসরি সন্তানের জন্ম দেয়। দ্বিতীয় প্রজাতির হাঙরের অন্তঃসত্ত্বা পর্ব সাড়ে তিন বছর।