দেশে ৬-৮ সপ্তাহের মধ্যে আছড়ে পড়তে চলেছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। উদ্বেগ বাড়িয়ে এই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন এইমসের শীর্ষ কর্তা।
2/10
এইমসের অধিকর্তা রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন, কোভিড-সতর্কতা সঠিকভাবে না মানার কারণেই ভারতে সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
3/10
এইমস-অধিকর্তার দাবি, আনলক প্রক্রিয়া শুরু হতেই কোভিড-বিধি সচেতনতা উপেক্ষা করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রণদীপ গুলেরিয়া।
4/10
তৃতীয় ঢেউয়ে বড়দের তুলনায় ছোটরা বেশি আক্রান্ত হবে বলে বেশ আশঙ্কাপ্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। যদিও, সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও এইমস-এর সমীক্ষা রিপোর্টে সেই দাবিকে খারিজ করে দিয়েছে।
5/10
সমীক্ষা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, করোনার তৃতীয় ঢেউ এলে বড়দের তুলনায় ছোটরা বেশি আক্রান্ত হবে, এটা বলা যায় না। এই সমীক্ষার নেতৃত্ব দেন দিল্লি এইমস-এর কমিউনিটি মেডিসিনের অধ্যাপক পুনীত মিশ্র।
6/10
সত্যি বলতে কি, তৃতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা কতটা হবে, তা এখনই আন্দাজ করা সম্ভব নয়। তবে, হতে পারে, তা দ্বিতীয় ঢেউয়ের মতোই হবে। ফলে, এই পরিস্থিতিতে নিজেদের এবং দেশকে কী করে রক্ষা করা যায়, সেটাই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সকল দেশবাসীর।
7/10
নির্দিষ্ট কিছু সতর্কতা ও সচেতনতা অবলম্বন করলেই থার্ড ওয়েভ থেকে নিজেদের সহজেই রক্ষা করা সম্ভব। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, ঠিক কী ভাবে---
8/10
একমাত্র জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া যথাসম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন। নিজের হাত ক্রমাগত স্যানিটাইজ করুন। বাইরে বের হলে, অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন। সর্বদা সোশ্যাল ডিস্টান্সিং বজায় রেখে চলুন।
9/10
কোনওপ্রকার উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। করোনাভাইরাস চিকিৎসার মূল চাবিকাঠি হল দ্রুত নির্ণয়করণ ও চিহ্নিতকরণ।
10/10
বাড়িতে থাকার একঘেয়েমি কাটাতে বাড়ির বাইরে বের হবেন না। এতে বিপদ বাড়তে পারে। সর্বদা সরকারি নির্দেশিকা ও ঘোষণা অনুসরণ করুন। আপনার সুরক্ষার জন্যই সেগুলি তৈরি করা হচ্ছে।