Ranji Trophy: বাংলা বনাম গুজরাত ম্যাচে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব? উদ্বেগের প্রহর গুনছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা
Eden Gardens: বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের আশঙ্কা, আবহাওয়ার কারণে না অমীমাংসিত থেকে যায় গুজরাতের বিরুদ্ধে ম্যাচ।

সন্দীপ সরকার, কলকাতা: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মান্থা (Cyclone Mantha)। সরাসরি বাংলায় আছড়ে পড়বে না। তবে এ রাজ্যেও পড়বে প্রভাব। মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার বিকেল থেকেই আকাশের মুখ ভার।
যার প্রভাব পড়ল ইডেন গার্ডেন্সে (Eden Gardens) বাংলা বনাম গুজরাত ম্যাচেও। এমনিতেই পূর্বাঞ্চলে খেলা মানে সকাল ৯টায় শুরু হয় ম্যাচ। যেহেতু সূর্যাস্ত হয় তাড়াতাড়ি। শনিবার বাংলা বনাম গুজরাত ম্যাচ শুরুও হয়েছিল সকাল ৯টায়। তবে ৩টে ৪১ মিনিটে কম আলোর জন্য় বন্ধ হয়ে যায় ম্যাচ। বাংলার স্কোর তখন ২৪৪/৭। তার মিনিট পনেরো পরে, ৩টে বেজে ৫৬ মিনিটে আম্পায়াররা জানিয়ে দিলেন, দিনের খেলা শেষ। নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৫০ মিনিট আগে বন্ধ হয়ে গেল ম্যাচ। সারাদিনে খেলা হল মোটে ৭২ ওভার। নির্ধারিত ওভারের চেয়ে ১৮ ওভার কম।
উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে সরাসরি জিতেছে বাংলা। তুলে নিয়েছে ৬ পয়েন্ট। গুজরাত ম্যাচেও সরাসরি জয়কেই পাখির চোখ করছে বাংলা শিবির। যে কারণে চার পেসারে নেমেছে লক্ষ্মীরতন শুক্লর প্রশিক্ষণাধীন দল। কিন্তু যদি ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টি শুরু হয়? ম্যাচ শেষ হওয়া নিয়েই থাকবে সংশয়। বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের আশঙ্কা, আবহাওয়ার কারণে না অমীমাংসিত থেকে যায় গুজরাতের বিরুদ্ধে ম্যাচ।
আবহাওয়ার কারণে গতবারও ভুগতে হয়েছিল বাংলাকে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপে প্রবল বৃষ্টিতে কল্যাণীতে বাংলা বনাম বিহার ম্যাচে এক বলও খেলা হয়নি। যদিও রোদ উঠে যাওয়ার পরেও মাঠ শুকনো না হওয়া নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। বৃষ্টি কাঁটায় পরের কেরল ম্যাচ কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমি থেকে সল্ট লেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে নিয়ে আসা হয়েছিল। তাতেও লাভ হয়নি। দুই দলের একটা করে ইনিংসও শেষ না হওয়ায় ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট করে পেয়েছিল বাংলা ও কেরল। যার খেসারত দিতে হয়েছিল বাংলাকে। রঞ্জি ট্রফির গ্রুপ থেকেই বিদায় নিয়েছিল বাংলা।
এবারও কি পয়েন্ট নষ্টের আশঙ্কা রয়েছে? আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস সত্যি হলে, বাংলা বনাম গুজরাত ম্যাচে বিঘ্ন ঘটাবে বৃষ্টি। সেক্ষেত্রে ম্যাচের ফলাফল নাও হতে পারে। বাংলার সহ অধিনায়ক ও উইকেটকিপার অভিষেক পোড়েল বললেন, 'আবহাওয়ার ওপর তো আমাদের হাত নেই। আমরা আমাদের কাজটাই করব।'
বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীরা প্রার্থনা শুরু করে দিয়েছেন, ম্যাচের চারদিন যেন বরুণদেব মুখ ফিরিয়েই থাকেন।




















