Prithvi Shaw: পার্টি, নারীসঙ্গে, মদ্যপান...পৃথ্বীর মধ্যে কাম্বলির ছায়া দেখছেন যোগরাজ সিংহ
Pritvi Shaw And Yograj Singh: ফিটনেস ইস্যু হোক বা শৃঙ্খলাজনিত কারণ বা নারীসঙ্গ। বারবার ক্রিকেটের বাইরে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন পৃথ্বী। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন ছিলেন পৃথ্বী।

মুম্বই: ২২ গজে অভিষেকেই নজর কেড়েছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে শুরু করে রাজ্য দলের জার্সিতে হোক বা এরপর দেশের জার্সিতে। দুর্দান্ত পারফর্ম করেছিলেন। অভিষেক টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। একসময়ে ভারতীয় ক্রিকেটের পরবর্তী সচিন তেন্ডুলকর যাঁকে মনে করা হত, সেই পৃথ্বী শ এখন ভারতীয় ক্রিকেটের গ্রহ থেকে অনেক যোজন দূরে। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরও পৃথ্বীর পক্ষে খুবই কঠিন।
ফিটনেস ইস্যু হোক বা শৃঙ্খলাজনিত কারণ বা নারীসঙ্গ। বারবার ক্রিকেটের বাইরে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন পৃথ্বী। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন ছিলেন পৃথ্বী। তাঁর নেতৃত্বাধীন সেই দলের শুভমন গিল এখন সিনিয়র জাতীয় দলের ২ ফর্ম্য়াটে ক্যাপ্টেন। অভিষেক শর্মা টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এক নম্বর ব্যাটার। অর্শদীপ সিংহ দেশের সেরা টি-টোয়েন্টি বোলার। রিয়ান পরাগও দেশের জার্সিতে খেলেন। কিন্তু হারিয়ে গিয়েছেন পৃথ্বী। এবার পৃথ্বীর কেরিয়ার নিয়ে মুখ খুললেন যোগরাজ সিংহ। এক সাক্ষাৎকারে যোগরাজ সিংহ বলেন, ''পৃথ্বী শ-র কেরিয়ারে এত ডাউনফল কেন হল? এটাই হয়েছিল বিনোদ কাম্বলির সঙ্গে। এটা কিন্তু হয়েছে মহিলা সঙ্গ, সিগারট, মদ্য়পানের নেশার জন্য। আমি কাম্বলিকে প্রশ্ন করেছিলাম যে তোমার এত প্রতিভা আছে, কিন্তু তুমি রাত আড়াইটের সময় নাইট ক্লাব থেকে ফিরছ কেন? ও আমাকে বলেছিল যে 'তুমি পুরনাে হয়ে গিয়েছ। আমাদের ক্রিকেট খেলার ধরণ এমনই' এর পরের দিনই কোর্টনি ওয়ালশ ওকে বোল্ড করে দিয়েছিল। আর যে মেয়ে ওর সঙ্গে ছিল, সে ওকে ছেড়ে দিয়েছিল। এরপর আর কেউ ওকে সিগারেট ও মদ অফার করেনি। ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে পৃথ্বীর ক্ষেত্রে।''
তবে পৃথ্বী এখন আগের থেকে অনেকটাই পরিবর্তন করেছেন নিজেকে। সেই প্রসঙ্গে সম্প্রতি তিনি জানিয়েছিলেন, যে মাঠের বাইরের শৃঙ্খলাপরায়ণতার অভাব এবং খারাপ লোকেদের সঙ্গে থাকার কারণে তিনি ক্রিকেট থেকে দূরে চলে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ে কীভাবে সচিন তেন্ডুলকরের পরামর্শই তাঁকে বদলাতে সাহায্য করেছে, তাও স্বীকার করে পৃথ্বী বলেছেন, 'সচিন স্যর আমার সফর সম্পর্কে জানেন। অর্জুন এবং আমি ৮-৯ বছর বয়স থেকে বন্ধু। আমরা দু'জনেই একসঙ্গে বড় হয়েছি এবং সচিন স্যর এই কারণে আমাকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন। আমরা দু'মাস আগে কথা বলেছিলাম, যখন তিনি প্রশিক্ষণ দিতে এসেছিলেন।' পৃথ্বী আরও বলেন, 'যখন আপনি দূরে চলে যান, তখন আপনার সেই পরামর্শদাতার প্রয়োজন হয় যিনি আপনাকে আবার ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করতে পারেন। সচিন স্যর এখনও আমার উপর বিশ্বাস করেন।'



















