Sourav Ganguly: প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এসেছিল চিঠি, প্রথমবার এই ইস্যুতে মুখ খুললেন সৌরভ
Sourav Ganguly Updates: সৌরভের ব্যক্তিগত সচিবের পক্ষ থেকে দক্ষিণ কলকাতার ঠাকুরপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

কলকাতা: কিছুদিন আগেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায় ও তাঁর পরিবারকে শেষ করে দেওয়া হবে, এমনই জানিয়ে হুমকি দিয়ে একটি চিঠি এসেছিল প্রাক্তন ভারত অধিনায়কের কাছে। যে ঘটনার তদন্ত শুরু করে দিয়েছে ইতিমধ্য়েই কলকাতা পুলিশ। সৌরভের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় এবং ঘনিষ্ঠ কর্মীদেরও ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এবার প্রথমবার সেই নিয়ে মুখ খুললেন সৌরভ নিজে।
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলছেন, 'আমরা বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি এবং আমার পুরো বিশ্বাস আছে যে তারা খুব শীঘ্রই সমস্যার সমাধান করবে। হুমকির সঙ্গে সম্পর্কিত ফোন নম্বরটি স্থানীয়ভাবে কলকাতার বলেই জানা গিয়েছে। আমি নিশ্চিত যে প্রশাসন সঠিক ব্যবস্থা নেবে। আমার নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে।'
সৌরভের ব্যক্তিগত সচিবের পক্ষ থেকে দক্ষিণ কলকাতার ঠাকুরপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে রাজ্যের নিরাপত্তা বিভাগকেও সতর্ক করা হয়েছে।
পিচ তৈরির মাটি নিয়ে বিতর্ক হয়েছে সম্প্রতি। গত বছর সিএবি-কে পিচ তৈরির মাটি দিয়েছিলেন মণিরুল হক। এবিপি লাইভ বাংলাকে বলছিলেন, 'এ বছর রাজনৈতিক পালাবদলের পরে পুলিশ প্রশাসন আর বৈধ কাগজপত্র না থাকলে মাটি কাটতে দিচ্ছে না। মাটি নিয়ে যেতে গেলে পুলিশ গাড়ি আটকাচ্ছে। কেস দিচ্ছে। সুরাহার জন্য সিএবি থেকে দুই প্রতিনিধি জেলাশাসকের অফিসে এসেছিলেন। আমাকেও সেখানে ডাকা হয়েছিল। জেলা প্রশাসনের এক কর্তা সেদিন বলেছিলেন, তাঁরা ছাড়পত্র দিয়ে দিলে পুলিশ আর গাড়ি ধরবে না। পরেরদিন দেখা করতে বলেন। গিয়েছিলাম। সেদিন ওই কর্তা ছিলেন না। কাগজও তৈরি হয়নি। আবার সোমবার যেতে বলেছেন। দেখি সেদিন কী হয়।' মণিরুল জানিয়েছিলেন, কোন জমি থেকে মাটি কাটা হচ্ছে, সেই জমির দাগ নম্বর ও খতিয়ান চাওয়া হয়েছিল অতিরিক্ত জেলাশাসকের অফিসে। বলছেন, 'আমরা সেই জমির বিস্তারিত তথ্য দিয়েছিলাম। তবে সেই জমি এখন হাতবদল হয়েছে। এখন ঝুনঝুনওয়ালা নামে এক ব্যক্তি কিনেছেন। তাই সেই জমির মাটি কাটা নিয়ে আপত্তি জানান প্রশাসনিক কর্তা। জমিমালিকের অনুমতি লাগবে বলে জানান।' মণিরুল যোগ করলেন, 'রাজ্যে পালাবদলের পর আমাদের মাটি কাটার কাজ বন্ধ। আমাদের তো বৈধ কাগজপত্র নেই। অত পয়সাও নেই। তাই এখন রাজমিস্ত্রির কাজ করছি। সংসার তো চালাতে হবে। ডিএম অফিস যদি ছাড়পত্র দেয়, তখন দেখা যাবে।'




















