India Pakistan Conflict: ছারখার পাকিস্তানের অস্ত্র, ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম লিলি-থমসনের মতো ভয়ঙ্কর
LT General Rajiv Ghai Indian Army DGMO: চিনা মিসাইল থেকে শুরু করে তুরস্কের ড্রোন, সব অস্ত্রই ঘায়েল হয়েছে ভারতের দুর্ভেদ্য এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে।

নয়াদিল্লি: একজনের মাথায় ঝাঁকড়া চুল সামলাতে কপালের ওপর বাঁধা থাকত ব্যান্ডানা। ছোট রান আপ ধরে দৌড়ে এসে বল করতেন। তাঁর বলের গতিকে ভয় পেত না, এমন ব্যাটার গোটা বিশ্বে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তিনি, কিংবদন্তি ডেনিস লিলি।
আর একজন বোলিং রান আপ ধরে দৌড়ে যাওয়ার সময় ঘাড় বেয়ে নেমে আসা সোনালি চুল ব্যাটারদের হৃদকম্পন ধরিয়ে দিত। বলের এক্সপ্রেস গতি। আগ্রাসী মেজাজের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তিনি, প্রবাতপ্রতিম জেফ থমসন।
অস্ট্রেলিয়ার দুই অবিস্মরণীয় ফাস্টবোলারকে খেলতে হবে ভেবে ব্যাটারদের রাতের ঘুম উড়ে যেত। এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল লিলি-থমসনের জুটি। ব্যাটারদের দুঃস্বপ্ন যেন।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে বারবার মুখ থুবড়ে পড়েছে শত্রুপক্ষের অস্ত্র। চিনা মিসাইল থেকে শুরু করে তুরস্কের ড্রোন, সব অস্ত্রই ঘায়েল হয়েছে ভারতের দুর্ভেদ্য এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে।
যে সিস্টেমকে অস্ট্রেলিয়ার সেই ভয়ঙ্কর পেস জুটির সঙ্গে তুলনা করলেন ভারতীয় সেনাবাহিনির লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই। তিনি জানান, ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম চারস্তরীয়। প্রথম স্তরে রয়েছে কাউন্টার ড্রোন ও ম্যানপ্যাড। দ্বিতীয় স্তরে পয়েন্ট এয়ার ডিফেন্স ও স্বল্প পাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপনাস্ত্র। তৃতীয় স্তরে রয়েছে মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপনাস্ত্র। চতুর্থ স্তরে রয়েছে দূরপাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপনাস্ত্র। এই বলয়ে শত্রুশিবির জব্দ হয়েছে বলে জানান লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই। বলেন, কোনওভাবেই এই বলয় ভেদ করে লক্ষ্যে হানা দিতে পারেনি পাক চিনা ক্ষেপনাস্ত্র বা তুরস্কের ড্রোন।
সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি টানলেন বিরাট কোহলির টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের প্রসঙ্গও। লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই বলেন, 'আজ বিরাট কোহলি টেস্ট থেকে অবসর নিয়েছেন। আরও অনেক ভারতীয়র মতো আমারও প্রিয় ক্রিকেটার বিরাট। আজ ক্রিকেটের কথা আলোচনা করাই উচিত।'
তারপরই তিনি ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সঙ্গে তুলনা টানেন লিলি-থমসন জুটির। বলেন, 'আমি তখন স্কুলে পড়তাম। সত্তরের দশক। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মতো বিখ্যাত অ্যাশেজ সিরিজ চলছিল। অস্ট্রেলিয়ার দুই ফাস্টবোলার - জেফ থমসন ও ডেনিস লিলি ইংল্যান্ডের ব্যাটিং তছনছ করে দিয়েছিল। অস্ট্রেলিয়া সেই সময় একটা বিখ্যাত লাইন বলেছিল। অ্যাশেজ টু অ্যাশেজ, ডাস্ট টু ডাস্ট, ইফ থমো ডোন্ট গেট ইউ, লিলি মাস্ট।' বাংলা করলে দাঁড়ায়, থমসন তোমাকে কাবু করতে না পারলেও লিলি করবেই।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই বলেন, ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও থমসন-লিলির মতোই পাক হামলার চেষ্টাকে ছারখার করে দিয়েছে। ভারতের বহুস্তরীয় সুরক্ষাব্যবস্থার কোনও না কোনও পর্বে শত্রুপক্ষের আক্রমণ ভোঁতা হবেই, সাফ জানিয়ে দিলেন তিনি।




















