মুম্বই: ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটের ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দিহান রবিচন্দ্রন অশ্বিন। বিশেষ করে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার এই ফর্ম্য়াট থেকে ২০৭ সালের বিশ্বকাপের পর সরে যাওয়ার পর তা আরও কঠিন হবে বলে মনে করেন প্রাক্তন স্পিনার। ২০২৭ ওয়ান ডে বিশ্বকাপই হয়ত ২ তারকার শেষ বিশ্বকাপ ও শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট হতে চলেছে। অশ্বিন মনে করেন তাঁদের চলে যাওয়ার পর এই ফর্ম্য়াটের জনপ্রিয়তা কমে যাবে।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অ্য়াশ কি বাত শোয়ে এসে অশ্বিন জানিয়েছেন, ''আমি নিশ্চিত নই যে ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটে ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের পর এই ফর্ম্য়াটের জনপ্রিয়তা কতটা থাকবে। আমি কিছুটা চিন্তিত। আমি অবশ্যই বিজয় হাজারে ট্রফি দেখি। কিন্তু এই ফর্ম্যাট ধীরে ধীরে কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আমাদের বুঝতে হবে দর্শকরা কোন ফর্ম্য়াট দেখতে পছন্দ করছেন। টেস্ট ক্রিকেটের এখনও একটা চাহিদা রয়েছে। কিন্তু ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটে? আমি সত্যিই মনে করি যে এই ফর্ম্য়াটে এখন আগের মত আর জনপ্রিয় নয়।''
অশ্বিন আরও বলেন, ''রোহিত ও বিরাট বিজয় হাজারে ট্রফি খেলছে। দর্শকরা বিজয় হাজারে ট্রফির ম্য়াচ দেখা শুরু করেছে ফের। আমরা সবাই জানি যে খেলা ব্যক্তিরও ওপর। কিন্তু এই মুহূর্তে এই দুই ক্রিকেটারের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলাটা দরকার ছিল। বিজয় হাজারে ট্রফি একটা ঘরোয়া টুর্নামেন্ট। নিঃসন্দেহে সবাই এই টুর্নামেন্ট দেখে না। কিন্তু যেহেতু বিরাট ও রোহিত খেলছে। তাই দর্শকরা চোখ রেখেছে এই টুর্নামেন্টে। কিন্তু ওঁরা যখন ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটে খেলা বন্ধ করে দেবে, তখন কি হবে?''
গত বছরের সেরা ক্রিকেটার হিসেবে অশ্বিন বেছে নিয়েছেন অভিষেক শর্মাকে। নিজের ইউটিউব চ্যানেল অ্য়াশ কি বাতে অশ্বিন বলেন, ''অভিষেক শর্মার জাতীয় দলে ঢোকা শুধু নয়, এটা ভারতীয় ক্রিকেটের পরবর্তী প্রজন্মের এক্স ফ্যাক্টর। যদি চলতি বছরে একজন প্লেয়ারের নাম বলতে হয় ভারতীয় ক্রিকেটে, তাহলে অবশ্যই তা অভিষেক শর্মা। ও দারুণ ব্যাটিং করেছে গোটা বছরে। পাওয়ার প্লে-তে অসাধারণ ব্যাটিং ওর। আমি ওকে ওয়ান ডে ফর্ম্যাটেও জাতীয় দলে দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। আমার মতে ভারতীয়দের পুরুষ ক্রিকেটে সেরা প্লেয়ার অভিষেক শর্মা।''
২০২৪ সালে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় অভিষেকে। এরপর থেকে টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে ধারাবাহিকভাবে ভাল পারফর্ম করে আসছেন বাঁহাতি ভারতীয় ওপেনার। এখনও পর্যন্ত দেশের জার্সিতে ৩৩ ম্য়াচে ১১১৫ রান করেছেন এই ফর্ম্য়াটে। দুটো সেঞ্চুরি ও ছয়টি অর্ধশতরান রয়েছে ঝুলিতে। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৩৫।