T20 World Cup: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট
Bangladesh Cricket: ভারতে নিরাপত্তা নেই, এই কারণ দেখিয়ে এ দেশে ম্যাচ খেলতে আসতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। অন্যদিকে আইসিসির তরফেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে ভারতে নিরাপত্তার কোনও সমস্যাই নেই।
ঢাকা: আইসিসি (ICC) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (Bangladesh Cricket Board) দু পক্ষই তাদের অবস্থানে অনড় ছিল শেষ পর্যন্ত। তার জন্যই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের আসন্ন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না আর। ভারতে নিরাপত্তা নেই, এই কারণ দেখিয়ে এ দেশে ম্যাচ খেলতে আসতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। অন্যদিকে আইসিসির তরফেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে ভারতে নিরাপত্তার কোনও সমস্যাই নেই। কিন্তু এত কিছুর মধ্যে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে।
বিভিন্ন রিপোর্ট প্রকাশিত খবর অনুযায়ী আইসিসির তরফে বার্ষিক রাজস্ব হিসেবে ভারতীয় টাকার অঙ্কে ২৪০ কোটি টাকা যার মোটামুটি অঙ্ক ২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এছাড়াও স্পনসরশিপ, সম্প্রচার স্বত্ব সবেতেই প্রভাব পড়বে। ম্যাচ ফি-র বেতনেও প্রভাব পড়বে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের পরবর্তী সূচিতে প্রভাব পড়তে পারে।
আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ভারতীয় দলের পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বাংলাদেশ সফর রয়েছে। সেই সফরও বাতিল হতে পারে। সেক্ষেত্রে ভারতের বিরুদ্ধে সফর বাতিল মানে সেখানেও মোটা অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। উল্লেখ্য, এই ঘটনা প্রবাহের মধ্যেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানিয়ে দিয়েছেন যে প্রতি বছর আইসিসি থেকে যে অর্থ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পায় তা আইসিসির আয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ।
ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল মুস্তাফিজুর রহমনকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে। নিলামের মঞ্চ থেকে তারকা বাঁহাতি পেসারকে দলে নিয়েছিল কেকেআর। ৯.২০ কোটি টাকা মূল্যে ফিজকে দলে নেয় কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে বাংলাদেশে হিন্দু নিধন চলছে, তার প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেছিল গোটা দেশ। অনেকেই কেকেআরের সমালোচনা করতে থাকে। এরপরই মুস্তাফিজুরকে মেগা টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিসিআই। কেকেআরকে বোর্ডের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় বিষয়টি। বিসিবিও এরপর জানিয়ে দেয় যদি ভারতে তাদের ক্রিকেটারদের পাঠানো সুরক্ষিত মনে করছে না তারা।
আইসিসিকে তারা জানায় যে গ্রুপের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় যেন আয়োজন করা হয়। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও সুযোগ বুঝে বিসিবির পাশে দাঁড়িয়ে আইসিসিকে চিঠি পাঠায়। তবে চিড়ে ভেজেনি কিছুতেই। আইসিসি জানিয়ে দেয় যা বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না আসে তাহলে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হবে। বাংলাদেশ এরপরও তাদের অবস্থা থেকে না সরে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়।



















