WTC Final 2025: WTC ফাইনালের নায়ক, দক্ষিণ আফ্রিকা চ্যাম্পিয়ন হতেই ভাইরাল মারক্রামকে নিয়ে কোহলির ৭ বছর আগের পোস্ট
Aiden Markram: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে দুই উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি চতুর্থ ইনিংসে ১৩৬ রান করে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন এডেন মারক্রাম।

লন্ডন: এই শতকে দক্ষিণ আফ্রিকা দল কেবল দুইটি আইসিসি ট্রফি জিতেছে। দুই ট্রফি জয়ের ক্ষেত্রেই তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। কথা হচ্ছে এইডেন মারক্রামের (Aiden Markram)। গত বছর অল্পের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেতাব হাতছাড়া হয়েছিল অধিনায়ক মারক্রামের। তবে ২০২৫ সালটা যেন উপেক্ষিতদেরই বছর। লর্ডসে আজ, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (WTC Final 2025) জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা আর সেই জয়ে অগ্রণী ভূমিকা নিলেন এডেন মারক্রাম।
ব্যাট, বল, ফিল্ডিং, অধিনায়কত্ব, অল রাউন্ড প্যাকেজ বলতে ঠিক যা বোঝায়, এইডেন মারক্রাম ঠিক তেমনটাই। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে তাঁর দুরন্ত শতরানে ভর করেই খেতাব জিতেছে প্রোটিয়া শিবির। ম্যাচ সেরাও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। চারিদিকে ধন্য ধন্য রব। এরই মাঝে ভাইরাল বিরাট কোহলির (Virat Kohli) সাত বছর পুরনো দুই ট্যুইট (বর্তমানে এক্স পোস্ট)। ছোট থেকেই মারক্রামের প্রতিভা ছিল প্রশ্নাতীত। তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি অধিনায়ক গ্রেম স্মিথ ভবিষ্যতের অধিনায়ক আখ্যা দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে মারক্রামের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়েছিলেন কোহলিও। তিনি এক ট্যুইটে লেখেন, 'এইডেন মারক্রামের খেলাটা দেখতে দারুণ লাগে'। আরেক ট্যুইটে মারক্রামের নাম লিখে হাততালি দেওয়ার ইমোজি দেন, অর্থাৎ তাঁর প্রশংসাই করেন কোহলি।
Aiden Markram is a delight to watch!
— Virat Kohli (@imVkohli) March 24, 2018
Aiden Markram 👌👏
— Virat Kohli (@imVkohli) March 30, 2018
কোহলি বা স্মিথরা যে তাঁর বিষয়ে ভুল ছিলেন না, তা প্রমাণ করে দিলেন মারক্রাম। ২০১৪ সালের অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে অধিনায়ক মারক্রামের ব্যাট থেকে এসেছিল অপরাজিত ৬৬ রানের ইনিংস। আজ মারক্রাম যখন লর্ডসে আউট হয়ে বিখ্যাত লং রুমের মধ্যে দিয়ে হেঁটে গেলেন, তখন তাঁর নামের পাশে লেখা ১৩৬। নিজের কেরিয়ারের অষ্টম তথা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট শতরান হাঁকিয়ে দলকে চ্যাম্পিয়ন করলেন মারক্রাম।
ম্যাচ শেষে তিনিও মেনে নিচ্ছেন এটাই তাঁর কেরিয়ারের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রোটিয়া তারকা বলেন, 'জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস এটা। প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর এই ইনিংসটা কিন্তু বেশ অদ্ভুত। ওই ইনিংসের পর ক্রিজে খানিকটা সময় কাটিয়ে রান করার প্রয়োজন ছিল, খানিকটা ভাগ্যেরও দরকার ছিব বটে, সবটা পরিকল্পনা মাফিকই হয়েছে বলে ভাল লাগছে। লর্ডসে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে সব ক্রিকেটাররাই চায়। এমন এক জায়গায় আমাদের সমর্থনে অনেক দক্ষিণ আফ্রিকান এসেছিলেন, অনেকে দেশে আমাদের হয়ে গলা ফাটাচ্ছিলেন। আজকের এই দিনটা বিশেষ অনুভূতির।'




















