Sajal Ghosh: এমনিই আর স্কুলগুলি চলে না, স্কুলগুলির শিক্ষক এবং ছাত্রের সংখ্যা দেখলেই বোঝা যাবে: সজল
ABP Ananda Live: 'এমনিই আর স্কুলগুলি চলে না। স্কুলগুলির শিক্ষক এবং ছাত্রের সংখ্যা দেখলেই বোঝা যাবে। একটা মানুষ রাজনীতি করেন বলে কত নীচে নামতে পারে। চুরি করলেন উনি, ও এম আর পোড়ালেন উনি, OMR-র কপি বার করল সিবিআই। এখন বলছেন উনি নাকি কিছুই জানেন না। যখন পার্থর ঘরে টাকা বেরোয় তখনও উনি কিছুই জানেন না। ভাইপোর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এলেও উনি কিছু জানেন না', আক্রমণ সজলের।
আশার ছবি ভেঙে চুরমার। চাকরি বাতিলের খবরে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন চাকরিজীবিরা। এই রায়ে অথৈ জলে পড়েছেন চাকরি প্রাপকরা। এদের মধ্যে অনেকেই সরকারি দফতরে চাকরি করা সত্ত্বেও ২০১৬-র SSC পরীক্ষায় বসেছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তাঁরাও দিশাহারা। ২০১৬ সালের SSC-র পুরো প্যানেলই বাতিল করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আর এনিয়ে এবার রাজ্য রাজনীতিতে চড়ছে পারদ। এত সংখ্যক চাকরি বাতিলের জন্য রাজ্য সরকারকে নিশানা করে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ক্যাবিনেটের গ্রেফতারি দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
বিরোধী দলনেতা বলেন, "একটাই দাবি। দফা এক, দাবি এক, মমতার পদত্যাগ । শুধু পদত্যাগ নয়, আমরা আশাবাদী, আজ যে ভাষায় প্রধান বিচারপতি বলেছেন, ইটস আ ক্রাইম, অর্গানাইজড বাই দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। দ্যাট মিনস গভর্নমেন্ট। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যাবিনেটও যাতে জেলে যায়...। আমরা আশাবাদী, এই ২৬ হাজার যুবক-যুবতী বিনা দোষে ...কারো যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও যেভাবে আজ তাঁরা পথে বসলেন, তাঁদের পথে যিনি বসালেন, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ক্যাবিনেটের জেল চাই। গ্রেফতারি চাই। এটাই বাংলার আওয়াজ। বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীরা বহু জায়গায় ইতিমধ্যে আন্দেোলন শুরু করেছেন। আগামীকালও রাজ্যজুড়ে সর্বত্র ...জনগণের বিশেষ অসুবিধা না করে আন্দোলন হবে। আন্দোলনের তীব্রতা বাড়বে। যাঁদের চাকরি গেছে, তাঁদের সঙ্গে নাকি উনি ৭ তারিখে কথা বলবেন। কী কথা বলবেন ? আমি তাঁদের বলব, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী কথা আপনাদের বলবেন। তাঁর বলার কী আছে ? যা সর্বনাশ করার তিনি করেছেন।"


















