RG Kar: 'পুজোর মরশুমে প্রচার পেতে, রাজনীতি, প্ররোচনা এবং নাটকের প্রভাবে এই অনশন', নিশানা কুণালের
ABP Ananda LIVE: আমরণ অনশন নিয়ে ডাক্তারদেরই নিশানা করলেন কুণাল ঘোষ। 'পুজোর মরশুমে প্রচার পেতে, রাজনীতি, প্ররোচনা এবং নাটকের প্রভাবে এই অনশন'। 'প্রশাসন নজর রাখুন, নথি রাখুক'। 'অনশনে কারও ক্ষতি হলে দায়ী থাকবে প্ররোচকরা'। 'পুলিশ নিরাপত্তা দিক, কিন্তু অনশনে কোনও হস্তক্ষেপ নয়'। 'সহকর্মীদের অসুস্থতায় ঠেলে দিয়ে রাজনীতি করলে দায়ী থাকবেন ডাক্তাররা'। 'জ্যোতি বসু জুনিয়র ডাক্তারদের ধর্না পুলিশ দিয়ে পিটিয়ে তুলেছিলেন'। 'এই সরকারের সৌজন্যকে যাঁরা অপব্যবহার করছেন, ভাল-মন্দ তাঁরাই বুঝুন'। সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের।
ডেডলাইন শেষ। দাবি পূরণ হয়নি। পুজোর মধ্যেই আমরণ অনশনে বসলেন জুনিয়র ডাক্তাররা । আজ থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে আমরণ অনশনে বসলেন ছয়জন জুনিয়র চিকিৎসক। কলকাতার বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের প্রতিনিধিরা রয়েছেন অনশনমঞ্চে। অনশনকারীরা হলেন- কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের স্নিগ্ধা হাজরা, এনআরএস মেডিক্যালের পুলস্ত আচার্য, কেপিসি মেডিক্যালের সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা, কলকাতা মেডিক্যালের তনয়া পাঁজা, এসএসকেএমের অর্ণব মুখোপাধ্যায় ও কলকাতা মেডিক্যালের অনুষ্টুপ মুখোপাধ্যায়। এক জুনিয়র চিকিৎসক বলেন, "আমরা খুব সুস্পষ্ট এবং সামান্য দাবি রেখেছিলাম। যেটা, মেনে নিতে সরকারের খুব একটা কসরত করার কথা নয়। খুব একটা অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু, আমরা খুব দুঃখের সঙ্গে দেখলাম সামান্য দাবি সরকার মানতে পারল না। আমরা ২৪ ঘণ্টা টাইমলাইন দিয়েছিলাম। এরমধ্যে সামান্যতম সদিচ্ছা থাকলেও দাবি মেনে নেওয়া যেত। কিন্তু, না মানায় বাধ্য হয়ে আমাদের অনশনে বসতে হচ্ছে। আমরা তো অনন্তকাল কর্মবিরতি করে যেতে পারি না। রোগীর পরিষেবার কথা মাথায় রেখে এখন আমরা কাজে যোগ দিয়েছি। আমাদের হাতে আর কী রয়েছে ! আমরা তাই বাধ্য হয়ে অনশনে গেছি। জীবন বাজি রেখে লড়তে হচ্ছে।"




















