Jibankrishna Saha : CBI-মামলায় জামিন, এবার ED-র জালে বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা
ABP Ananda LIVE : SSC নবম-দশম নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় এদিন সকালেই তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বড়ঞার বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। এরপর ম্যারাথন তল্লাশি শেষে এবার ফের জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতার করল ED. ব্যাঙ্কশাল আদালতে আনা হচ্ছে বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ককে। বিধায়ক ও তাঁর আত্মীয়দের অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে, খবর ED সূত্রে। CBI-এর পর, এবার ED-র হাতে গ্রেফতার জীবনকৃষ্ণ সাহা। ২০২৩-এর ১৭ এপ্রিল...SSC নবম-দশম নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক। কিন্তু তাঁর গ্রেফতারির আগে নাটকীয়তা কম ছিল না। গ্রেফতারির ৩ দিন আগে, অর্থাৎ, ১৪ এপ্রিল... দুপুর ১২টায় তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণের বড়ঞার বাড়িতে পৌঁঁছে যায় CBI। কিন্তু, বিকেল পাঁচটা নাগাদ, ঘটে যায় নাটকীয় ঘটনা!আচমকা গোয়েন্দাদের থেকে নিজের ২ মোবাইল ফোন ছিনিয়ে, সেগুলি বাড়ি লাগোয়া পুকুরে ছুড়ে ফেলে দেন তৃণমূল বিধায়ক!
৫ মিনিট পর থেকেই জীবনকৃষ্ণ সাহাকে নজর বন্দি করে দেয় CBI. সেদিনই রাত সাড়ে ১০ টা নাগাদ, মোবাইলের সন্ধানে বিধায়কের বাড়ি লাগোয়া পুকুর ছেঁচার কাজ শুরু হয়। পরদিন, জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে পৌঁছয় CBI-এর আরেকটি টিম। মোবাইল ফোন দুটি উদ্ধারের জন্য পরদিন সকালে, ২টি পাম্প বসানো হয়। সেদিন রাতভর খোঁজাখুঁজিতেও উদ্ধার হয়নি ফোন, এরপরই দফায় দফায় বিধায়ককে নিয়ে শুরু হয় পুনর্নির্মাণ। বিধায়ককে তাঁর বাড়ির ছাদে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মান করা হয়। আর তাতেই মেলে সাফল্য়।
বিধায়কের ছোড়া ঢিল পুকুরের যে জায়গায় পড়েছিল, সেখানেই নামানো হয় ৪ পাম্প কর্মীকে। পুকুরের পাঁক থেকে প্রথম মোবাইল ফোনটি উদ্ধার হয়। অর্থাৎ, সিবিআইয়ের অভিযোগ মতো, মোবাইল ফোন পুকুরে ছুড়ে ফেলার প্রায় ৩৮ ঘণ্টার মাথায় উদ্ধার হয় প্রথম ফোনটি। এরপর, জীবনকৃষ্ণকে পুকুরের পাড়ে নিয়ে গিয়ে শুরু হয় দ্বিতীয় মোবাইল ফোনের খোঁজ। আনা হয় ট্রাক্টর ও মাটি কাটার যন্ত্র। ১৭ এপ্রিল, রাত ২টো ৩৫ গ্রেফতার করা হয় তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে। পরদিন ভোরে কলকাতার উদ্দেশ্য়ে রওনা হয় CBI ১৮ এপ্রিল, জীবনকৃষ্ণ যখন কলকাতায়....তখন মুর্শিদাবাদের বাড়ি লাগোয়া পুকুর থেকে উদ্ধার হয় বিধায়কের দ্বিতীয় ফোন।


















