Kunal Ghosh | "বলতে দেওয়া হবে না কুণালকে!" বিধানসভায় হট্টগোলের পরেই এ কী বললেন বিধায়ক?
কলকাতা :
বজায় রইল হট্টগোল
বৃহস্পতিতেও বজায় রয়েছে হট্টগোল। আজ বিধানসভায় ৩টের সময় ক্রীড়া এবং যুবকল্যাণ দফতরের বাজেট বক্তৃতা শুরুর কথা ছিল। শুরুতেই 'কালীঘাট তৃণমূল'পন্থী বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গতকালের বিষয় নিয়ে কিছু বলতে চান বলে জানান। কিন্তু গতকালের প্রসঙ্গে কথা শুনতে নারাজ বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু। এই আবহেই আচমকা বিধানসভার অধ্যক্ষের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন কুণাল ঘোষ। সোজা নিজের আসন ছেড়ে স্পিকারের আসনের কাছে চলে যান তিনি। যার জেরে বিধানসভা কক্ষে তৈরি হয় উত্তেজনা।
কুণাল-আখরুজ্জামান উত্তাপ
বিধানসভার বাজেট বক্তৃতার মাঝে তুমুল উত্তেজনা। যুযুধান দুই তৃণমূল। একদিকে দাঁড়িয়ে কুণাল ঘোষ। অন্য়দিকে আখরুজ্জামান। বুধবার বিধানসভায় স্বরাষ্ট্র দফতরের বাজেট নিয়ে আলোচনায় যোগ দেন আখরুজ্জামান। স্পিকারের অনুমতিতেই বলতে ওঠেন তিনি। সেই সময়ই তাঁর আসনের সামনে চলে যান কুণাল ঘোষ। বিধায়ককে বলতে শোনা যায়, "আপনি আমার নাম কেটে দিচ্ছেন কেন?" যদিও সেই 'বাধার' পরেও নিজের মতোই বক্তৃতা করতে থাকেন আখরুজ্জামান। এদিকে কুণাল হয়ে ওঠেন নাছোড়বান্দা। কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। কুণালের সামনে চলে আসতে দেখা যায় বিজেপি বিধায়ক তথা মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে। নিজের জায়গা থেকেই কুণাল ঘোষকে সতর্ক করেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু। তারপরেও কুণাল অনড়। এরপরেই স্পিকারের নির্দেশে বিধানসভার মার্শালরা কুণালকে অধিবেশনকক্ষের বাইরে বার করার চেষ্টা করেন। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। তারপরেই তাঁকে পাঁজাকোলা করে বাইরে বার করা হয়। এই ঘটনার পরেই ওয়াকআউট করে কালীঘাট তৃণমূলের অন্য় বিধায়করা।






















