Ferrari Luce: ফেরারির প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুসে’, প্রশংসার চেয়ে বিতর্কই বেশি ডিজাইন ঘিরে
Ferrari Electric Car: ফেরারি লুসের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য যথেষ্ট আকর্ষণীয়, তবু অনেক অনুরাগীর মতে এই গাড়িটিতে ফেরারির সেই পরিচিত স্পোর্টি ও মার্জিত ছাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।

কলকাতা: বিশ্ব বিখ্যাত ইতালীয় সুপারকার নির্মাতা ফেরারি তাদের ইতিহাসে প্রথম সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুসে’ (Ferrari Luce) -কে সামনে নিয়ে এসেছে। এই গাড়িতে রয়েছে চারটি বৈদ্যুতিক মোটর। যা ১ হাজার হর্সপাওয়ারের বেশি শক্তি উৎপন্ন করে। প্রযুক্তির দিক দিয়ে এই গাড়ি খুবই উন্নত হলেও আলোচনার কেন্দ্রে এই গাড়ির অদ্ভূত ডিজাইন। অনেক কার এনথুসিয়াস্টের মতে, এই ডিজাইন ফেরারির ঐতিহ্যবাহী পরিচয়ের সঙ্গে একেবারেই মানানসই নয়।
আরও পড়ুন: দাম শুরু ৪০ লক্ষ থেকে, টয়োটার ফরচুনারকে টক্কর দেবে এমজির মেজেস্টার?
লুসে (Ferrari Luce) একটি বড় আকারের বৈদ্যুতিক এসইউভি। যা ফেরারির পরিচিত স্পোর্টস কারের তুলনায় সম্পূর্ণ আলাদা। গাড়িটির সামনের অংশ ও সামগ্রিক অনুপাত অনেকের কাছে ‘ক্যাব-ফরওয়ার্ড’ ডিজাইনের মতো মনে হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ এটিকে ‘ফেরারি ব্যাজ লাগানো অ্যাপলের গাড়ি’ বলেও মন্তব্য করছেন। এর পেছনে কারণও রয়েছে। গাড়িটির ডিজাইন তৈরি করেছে প্রাক্তন অ্যাপল ডিজাইনার স্যার জনি আইভের নেতৃত্বাধীন একটি ডিজাইন সংস্থা।
ফেরারির জনপ্রিয় মডেল পিউরোসাঙ্গুয়ের তুলনায় লুসের (Ferrari Luce) চেহারা অনেক বেশি ব্যতিক্রমী। যদিও গাড়িটির প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য যথেষ্ট আকর্ষণীয়, তবু অনেক অনুরাগীর মতে এই গাড়িটিতে ফেরারির সেই পরিচিত স্পোর্টি ও মার্জিত ছাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়াও এই গাড়ির ৫৩১ কিলোমিটারের রেঞ্জও বর্তমান বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে সর্বোচ্চ নয়।
আরও পড়ুন: প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম হতে পারে ৮২ টাকা, আপনার গাড়ি কি চলবে E85 পেট্রোলে?
তবে গাড়ির অভ্যন্তরীণ নকশা প্রশংসা কুড়িয়েছে। রেট্রো ধাঁচের ডিজাইন, প্রচুর ফিজিক্যাল বাটন এবং ক্লাসিক ফেরারির স্মৃতি জাগানো পাতলা স্টিয়ারিং হুইল বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। দীর্ঘ হুইলবেসের কারণে কেবিনে যথেষ্ট জায়গা রয়েছে এবং এটি ফেরারির প্রথম পূর্ণাঙ্গ পাঁচ আসনের বৈদ্যুতিক গাড়ি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লুসে (Ferrari Luce) ফেরারির জন্য একটি সাহসী পদক্ষেপ। তবে এই গাড়িটি সংস্থার ঐতিহ্যবাহী ভাবমূর্তির সঙ্গে কতটা খাপ খায়, তা নিয়ে বিতর্ক চলবেই। এমন সময়ে যখন ল্যাম্বরগিনি তাদের বৈদ্যুতিক গাড়ির পরিকল্পনা পিছিয়ে দিয়েছে। আর সেই সময় ফেরারির এই সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে অটোমোবাইল বিশ্বের অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।























