Bangladesh News: চট্টগ্রামে হিন্দুদের উপর আক্রমণের অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট তসলিমা নাসরিনের
Taslima Nasrin: চট্টগ্রামের রাউজানে হিন্দুদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তসলিমা নাসরিন।

বাংলাদেশ : বাংলাদেশে ফের আক্রান্ত হিন্দুরা, ভিডিও পোস্ট তসলিমা নাসরিনের। 'চট্টগ্রামের রাউজানে বর্বর মুসলিমরা হিন্দুদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। বাইরে থেকে দরজায় তালা দিয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে। কোনওক্রমে প্রাণ রক্ষা করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন হিন্দুরা। কোন আশায় আর তাঁরা আবার নতুন করে তাঁদের বাড়িঘর তৈরি করবে? ইউনূস সরকার কি এই হিন্দু-বিদ্বেষী মুসলিমদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে? উনি কি হিন্দুদের ক্ষতিপূরণ দেবেন? নাকি বিদেশে ছড়ায়নি বলে অবহেলা করবেন?', ইউনূস সরকারকে নিশানা করে আক্রমণ তসলিমা নাসরিনের।
চট্টগ্রামে হিন্দুদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। চট্টগ্রামের রাউজানের ২ বাসিন্দার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সুখ শীল ও অনিল শীলের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, বাইরে থেকে দরজা আটকে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ। আগুনে পুড়ে ছাই অন্তত ৭টি ঘর। আগুন লাগার পর বাঁশ ও বেড়া ভেঙে বেরিয়ে আসেন বাসিন্দারা। বরাতজোরে কোনওমতে রক্ষা পেয়েছেন ২ পরিবারের সদস্যরা। দুষ্কৃতীদের খোঁজ চলছে, জানিয়েছে রাউজান থানা।
তসলিমা নাসরিন নিজের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন,
'চট্টগ্রামের রাউজানে হিন্দুদের ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকে রেখে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে বর্বর মুসলমানেরা। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বাড়িঘর। হিন্দুরা ঘর থেকে কষ্টেসৃষ্টে বেরিয়ে প্রাণ বাঁচিয়েছে। আবার কী ভরসায় তারা ঘর বানাবে? ইউনুস কি হিন্দুবিদ্বেষী বর্বর মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন? হিন্দুদের ক্ষতিপূরণ দেবেন? নাকি এই খবর বিদেশে প্রচার হয়নি বলে তিনি ভ্রুক্ষেপ করবেন না? হিন্দুদের পুড়ে যেতে দেবেন!'
সম্প্রতি বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ভালুকাতে দীপু দাসের নৃশংস হত্যার ঘটনায় তোলপাড় হয়েছে সারা বিশ্ব। প্রথমে বেধড়ক মার। তারপর অর্ধমৃত অবস্থায় আগুনে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়েছে বাংলাদেশের এই হিন্দু যুবককে। দীপু চন্দ্র দাসের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনার কথা এখন সারা বিশ্ব জানে। এই প্রসঙ্গেও সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন তসলিমা নাসরিন।
দীপু দাসের মৃত্যুর ঘটনায় তসলিমা ফেসবুকে লেখেন,
'ভালুকার একটি কারখানায় কাজ করতো দীপু চন্দ্র দাস। নিতান্তই দরিদ্র শ্রমিক। দীপু নাকি ইসলামের নবী সম্পর্কে কটূক্তি করেছিল। তাই কারখানার ভেতরেই মুসলমান শ্রমিকেরা তাকে শাস্তি দেবার জন্য তৈরি হয়। কারখানার ফ্লোর ম্যানেজার তাকে চাকরিতে ইস্তফা দিতে বাধ্য করে। এর পর কারখানার বাইরে অপেক্ষারত নবীর উন্মাদ উম্মতের হাতে দীপুকে সঁপে দেয়। দীপুকে পিটিয়ে, ঝুলিয়ে, পুড়িয়ে নিকৃষ্ট জিহাদি উৎসবে মেতে ওঠে! দীপু চন্দ্র দাস সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষ। তার রোজগারের টাকায় তার পঙ্গু বাবা, মা, স্ত্রী সন্তান চলতো। এখন কী হবে আত্মীয়দের? দীপুর স্বজনদের তো টাকাকড়িও এমন নেই যে জিহাদিদের হাত থেকে বাঁচার জন্য ভারতে পালাবে! গরিবের কেউ নেই। বিশেষ করে সংখ্যালঘু গরিবের! তাদের দেশ থেকেও দেশ নেই। ধর্ম থেকেও ধর্ম নেই।'






















