PM SVANidhi Scheme : ‘পিএম স্বনিধি’ প্রকল্পে ৯০,০০০ টাকা পেতে পারেন আপনি, কীভাবে আবেদন করলে নিশ্চিতভাবে পাবেন ?
Loan In PM SVANidhi Scheme : আপনিও এই ক্যাটাগরিতে পড়লে আবেদন করতে পারেন লোনের(Loan)। সেই ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে আপনাকে।

Loan In PM SVANidhi Scheme : ফুটপাথ বিক্রেতা ও হকারদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে এই স্কিম (PM SVANidhi Scheme) এনেছিল সরকার। গত ৬ বছরে এই স্কিমে সুবিধা পেয়েছেন অগুণতি মানুষজন। আপনিও এই ক্যাটাগরিতে পড়লে আবেদন করতে পারেন লোনের(Loan)। সেই ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে আপনাকে।
দেশজুড়ে ১.১২ কোটিরও বেশি জামানত-বিহীন ঋণ পেয়েছে
পথচলতি ছোট ব্যবসায়ী এবং হকারদের স্বাবলম্বী করতে মোদি সরকারের চালু করা ‘পিএম স্বনিধি’ (PM SVANidhi) প্রকল্প সফলতার সাথে ৬ বছর পূর্ণ করল। কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুন মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশজুড়ে ১.১২ কোটিরও বেশি জামানত-বিহীন ঋণ দেওয়া হয়েছে, যার মোট মূল্য ১৭,৮০০ কোটি টাকারও বেশি। এই প্রকল্পের আওতায় এখনও পর্যন্ত দেশের প্রায় ৭৫.৫ লক্ষেরও বেশি স্ট্রিট ভেন্ডর বা হকার সরাসরি উপকৃত হয়েছেন।
কোভিড-১৯ মহামারীর ধাক্কা সামলে ছোট ব্যবসায়ীদের ঘুরে দাঁড়াতে এবং চড়া সুদের মহাজনি ঋণের হাত থেকে বাঁচাতে এই ‘প্রাইম মিনিস্টার স্ট্রিট ভেন্ডরস আত্মনির্ভর নিধি’ (PM SVANidhi) চালু করা হয়েছিল। আগামী ২০৩০ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
ধাপে ধাপে ঋণ ও আকর্ষণীয় সুবিধা
এই প্রকল্পের মাধ্যমে হকারদের ব্যবসা বাড়ানোর জন্য ৩টি ধাপে ঋণ দেওয়া হয়
প্রথম ধাপ: ১৫,০০০ টাকা
দ্বিতীয় ধাপ: ২৫,০০০ টাকা
তৃতীয় ধাপ: ৫০,০০০ টাকা
এছাড়াও রয়েছে সুদের ওপর ভর্তুকি এবং ক্রেডিট গ্যারান্টির সুবিধা। যারা সময়মতো ঋণ পরিশোধ করছেন, তাদের জন্য রয়েছে বিশেষ উপহার। তারা ৩০,000 টাকা পর্যন্ত লিমিটসহ ইউপিআই-লিঙ্কড রূপেও (RuPay) ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হচ্ছেন।
এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করার সময় যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন
PM SVANidhi প্রকল্পের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে, যা এই প্রকল্পের আবেদনকারীদের জন্য মেনে চলা আবশ্যক।
১ PM-SVANidhi আবেদনের ফর্মে আবেদনকারীর যে মোবাইল নম্বরটি দেওয়া হবে, তা অবশ্যই তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে সংযুক্ত মোবাইল নম্বরের সাথে হুবহু মিলে যেতে হবে।
২ আবেদনকারীদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তাঁদের পদবি বা শেষ নাম (Surname/Last Name) সঠিকভাবে আপডেট করা আছে।
৩ আবেদনকারীদের এও নিশ্চিত করতে হবে যে, তাঁদের আধার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নাম, লিঙ্গ এবং জন্মতারিখ—এই তিনটি তথ্য যেন একই থাকে।
৪ তাঁদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে উল্লিখিত আবাসিক ঠিকানাটি যেন সম্পূর্ণ ও বৈধ হয় এবং তাতে যেন কোনো বিশেষ চিহ্ন বা 'Special Characters' (যেমন: @, #, %, ইত্যাদি) না থাকে। এছাড়া, ঠিকানার বিবরণে যেন কোনও সম্পর্কের উল্লেখ (যেমন: S/O বা 'Son Of', D/O বা 'Daughter Of', কিংবা W/O বা 'Wife Of') না থাকে।
৫ আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই সক্রিয় (Active) হতে হবে এবং তা আধারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে।
৬ আবেদনকারীদের নিশ্চিত করতে হবে যে, তাঁদের কোনও ঋণের অ্যাকাউন্ট (Loan Account) যেন খেলাপি বা 'Default' অবস্থায় না থাকে।
অর্থনীতিতে ডিজিটাল বিপ্লব ও সামাজিক প্রভাব
মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই প্রকল্পের প্রায় ৯৫% উপভোক্তা জীবনে প্রথমবার ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, স্বাধীন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে এই ঋণের ফলে হকারদের বার্ষিক আয় গড়ে প্রায় ২০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্প বড় সাফল্য এনেছে। প্রায় ৫৫ লক্ষ উপভোক্তা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছেন এবং সব মিলিয়ে প্রায় ৮.৯৬ লক্ষ কোটি টাকার ডিজিটাল লেনদেন হয়েছে। এই স্কিমে ক্যাশব্যাক এবং সুদ ভর্তুকি বাবদ গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এই সুবিধাভোগীদের মধ্যে প্রায় ৪৬% মহিলা এবং ৭০% পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মানুষ।
অর্থনীতিতে ডিজিটাল বিপ্লব ও সামাজিক প্রভাব
মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই প্রকল্পের প্রায় ৯৫% উপভোক্তা জীবনে প্রথমবার ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, স্বাধীন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে এই ঋণের ফলে হকারদের বার্ষিক আয় গড়ে প্রায় ২০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রায় ৫৫ লক্ষ উপভোক্তা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছেন
ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্প বড় সাফল্য এনেছে। প্রায় ৫৫ লক্ষ উপভোক্তা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছেন এবং সব মিলিয়ে প্রায় ৮.৯৬ লক্ষ কোটি টাকার ডিজিটাল লেনদেন হয়েছে। এই স্কিমে ক্যাশব্যাক এবং সুদ ভর্তুকি বাবদ গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এই সুবিধাভোগীদের মধ্যে প্রায় ৪৬% মহিলা এবং ৭০% পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মানুষ।





















