Budget 2026: বাজেটে রাজ্যের প্রাপ্তি কি সত্যিই শূন্য? কেন্দ্রকে খোঁচা মহুয়া মৈত্রর
Mahua Moitra On Budget: মহুয়ার সুরেই বাজেট ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন অমিত মিত্র। তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়াণ এই নেতা জানিয়েছেন, ''বাজেটে সাধারণ মানুষদের জন্য কিছুই করেনি কেন্দ্র।

কলকাতা: সাধারণের বাজেট ছিল। কিন্তু নির্মলা সীতারামনের ঘোষণা করা সাধারণের বাজেট থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি নামমাত্র, এভাবেই বিজেপিকে কটাক্ষ মহুয়া মৈত্রের। কৃষ্ণনগরের সাংসদ এদিনের বাজেটের প্রসঙ্গ টেনে কেন্দ্রকে বিঁধে জানিয়েছেন, ''বিজেপি বুঝতে পেরেছে বিধানসভা ভোটে ওরা হারছে। পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর নীরবতাই তার প্রমাণ। তাই ভোটের আগে বাজেট উপহারের জন্য কেন পয়সা খরচ করবে?'' অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে কটাক্ষের সুরে 'স্মার্ট' বলেও সম্বোধন করেন মহুয়া।
মহুয়ার সুরেই বাজেট ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন অমিত মিত্র। তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়াণ এই নেতা জানিয়েছেন, ''বাজেটে সাধারণ মানুষদের জন্য কিছুই করেনি কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় সরকার শিক্ষা নিয়ে ভাবে না। সবাই শিক্ষায় বাজেট বাড়াচ্ছে, মোদি সরকার কমাচ্ছে। IT-তে পশ্চিমবঙ্গ কিছুই পায়নি।''
বাজেট নিয়ে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের
এদিন বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাজেটের পর বলেন, ''বিহার পেয়েছিল, বাংলা বঞ্চিত হল বাজেট থেকে। দিশাহীন বাজেট, ভোট পাবে না জেনে বাংলাকে বঞ্চনা। শেয়ারবাজের বিরাট ধস নেমেছে। সেনসেক্স প্রায় ১০০০ পয়েন্ট পড়েছে। ফ্রেট করিডরের কথা বলছে, সেটা আমি ২০০৯ সালে বলেছিলাম। এতদিন ধরে সেই প্রকল্প বাস্তবে রূপায়ণ হয়নি। মিথ্যায় ভরা বাজেট।' কটাক্ষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, ''গরিব বিরোধী, কৃষক বিরোধী বাজেট কেন্দ্রের। বাংলাকে কিছুই দেয়নি, সাধারণের জন্য কিছুই নেই। মহিলা, যুবক, চাষিদের জন্য বাজেটে কিছুই নেই। চোরের মায়ের বড় গলা, পুরোটাই মিথ্যে কথার ফুলঝুরি।''
উল্লেখ্য, বিশ্বের কাছে ভারতের শক্তিশালী আর্থিক খাত সম্পর্কে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রবিবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানিয়েছেন, সংস্কার প্রক্রিয়াকে সঠিক পথে রাখতে সরকার ‘বিকশিত ভারত’ লক্ষ্য পূরণে ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করতে একটি উচ্চস্তরের কমিটি গঠনের ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। নির্মলা সীতারামন বলেছেন, ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলো বর্তমানে একটি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে, তাদের ব্যালেন্স শিট স্বাস্থ্যকর, মুনাফা বেশি এবং অনাদায়ী ঋণের উপর নিয়ন্ত্রণও উন্নত। সম্পদের গুণমান উন্নত হওয়ায় এবং কভারেজ ৯৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ায়, এই খাতটিকে স্থিতিশীল এবং প্রবৃদ্ধির পরবর্তী পর্যায়ের জন্য প্রস্তুত বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিনের বাজেটে, মহিলাদের জন্য শিক্ষার পরিকাঠামো বিস্তার করা, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অর্থ প্রদান করা, মহিলাদের বিভিন্ন উদ্যোগ প্রদর্শনের জন্য নতুন মাধ্যম তৈরি- এইসব কাজের মাধ্যমে মহিলাদের সহায়তা করা হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে মেয়েদের যোগদান আরও সুদৃঢ় করতে হবে। এর পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংযোগও প্রয়োজন। শুধু শহর কিংবা শহরতলি নয়, গ্রামের মহিলাদেরও শক্তিশালী করে তুলতে হবে।






















