New GST Rate: জিএসটি সংস্কারের ফলে ৪৮ হাজার কোটির লোকসান হবে সরকারের ! কী জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা ?
GST Rate Cut: সরকারের অনুমান অনুসারে ২০২৩-২৪ সালে কনজাম্পশনের ধরন অনুসারে বার্ষিক প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে। কী জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা ?

GST Rate: দেশের অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। গত ৩ অগাস্ট জিএসটি সংস্কার করা হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের নেতৃত্বে, জিএসটি কাউন্সিলের অনুমোদনে। এবার থেকে সারা দেশে দুটি মাত্র জিএসটি স্ল্যাব রাখা হয়েছে ৫ শতাংশ ও ১৮ শতাংশ। আগে জিএসটিতে চারটি স্ল্যাব ছিল আর এই নতুন কর কাঠামো কার্যকর হবে আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের পর থেকে। তবে এই বদলের পর থেকে রাজ্য সরকারগুলি তাদের রাজস্ব ক্ষতির বিষয়ে চিন্তিত হচ্ছে এবং এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
সরকারের অনুমান অনুসারে ২০২৩-২৪ সালে কনজাম্পশনের ধরন অনুসারে বার্ষিক প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে। রাজস্ব সচিব অরবিন্দ শ্রীবাস্তব সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন যে কেন্দ্র সরকারকে এই বিশাল বোঝা বহন করতে হতে পারে।
কী জানাচ্ছে ব্রোকারেজ সংস্থাগুলি
ব্রোকারেজ সংস্থাগুলি বিশ্বাস করে যে প্রকৃত ক্ষতি এত বড় হবে না। কারণ জিএসটি সংস্কারের ফলে চাহিদা বাড়তে পারে। জেফারিজের অনুমান অনুসারে ২০২৬ অর্থবর্ষে এই ঘাটতি ২২ হাজার থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকার মধ্যে কমানো যেতে পারে। সংস্থার যুক্তি জিএসটি হ্রাস মুদ্রাস্ফীতি কমাতে পারে এবং এই পরিস্থিতিতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সুদের হার ২৫ থেকে ৫০ বেসিস পয়েন্ট পর্যন্ত কমাতে পারে।
বার্নস্টাইনের বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে যদি সরকার মূলধন ব্যয়ে কোনও হ্রাস না করে তাহলে এই ঘাটতি কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রায় ২০ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি পেতে পারে। কিন্তু যদি মূলধন ব্যয় ৫ শতাংশ হ্রাস করা হয় তাহলে এই প্রভাব মাত্র ৫ বেসিস পয়েন্টে নেমে আসবে।
বাজারে কী প্রভাব পড়বে
UTI AMC-র মতে বন্ড বাজার এবং শেয়ার বাজারে এই বদলের প্রভাব সীমিত হবে। অন্যদিকে ICRA সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে আর বলেছে যে এই সংস্কার মার্কিন উচ্চ শুল্কের চাপের মুখোমুখি শিল্পগুলির জন্য ইতিবাচক প্রমাণিত হবে আর তা বাজারের মনোভাবকে শক্তিশালী করে তুলবে।
গত ৩ অগাস্ট জিএসটি কাউন্সিলের অনুমোদনক্রমে কেন্দ্র সরকার স্বাস্থ্যবিমা, জীবনবিমার উপর থেকে ১৮ শতাংশের জিএসটি প্রত্যাহার করে নেয়। এছাড়াও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের উপরে কমানো হয়েছে জিএসটি হার, হোটেলভাড়া, বিমানভাড়ার ক্ষেত্রেও জিএসটি কমেছে। ফলে সার্বিকভাবে মানুষের খরচও কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।






















