SBI Home Loan: SBI-এর গ্রাহকদের মাথায় বাজ ! হোম লোনে সুদের হারে বড় বদল; পকেটে টান পড়বে এবার ?
SBI Home Loan Interest Rate: ১ অগাস্ট থেকেই এই বর্ধিত উর্ধ্বসীমার ঋণের সুদের হার কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়েছে স্টেট ব্যাঙ্কের তরফে।

Home Loan Interest Rate: এই বছর ফেব্রুয়ারি মাসেই শেষবারের মত রেপো রেট কমিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। এক বছরের মধ্যেই ১০০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট কমানো হয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে। এর ফলে ঋণের উপর সুদের হারে এসেছে স্বস্তি, ইএমআই কমে গিয়েছে গ্রাহকদের। কিন্তু এই সুখবরের মাঝেই বড় দুঃসংবাদ দিল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। এসবিআই তাদের হোম লোনের সুদের হার ফের বাড়িয়ে দিয়েছে। ২৫ বেসিস পয়েন্ট বেড়েছে এই সুদের হার। রেপো রেট কম থাকা সত্ত্বেও সুদের হার বাড়িয়েছে দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক। এখন এই ব্যাঙ্কে হোম লোন নিতে হলে সুদের হার রয়েছে ৭.৫০ শতাংশ থেকে ৮.৭০ শতাংশ।
স্টেট ব্যাঙ্ক হোম লোনে সুদের হারের যে আপার ব্যান্ড রয়েছে তা ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে দিয়েছে সম্প্রতি। আগে এসবিআইয়ের হোম লোনে সুদের হার পাওয়া যেত ৭.৫০ শতাংশ থেকে ৮.৪৫ শতাংশের মধ্যে। এখন তা হয়েছে ৭.৫০ শতাংশ থেকে ৮.৭০ শতাংশের মধ্যে। এর অর্থ হল সুদের হারের নিম্ন সীমা অপরিবর্তিত রয়েছে এবং উর্ধ্বসীমাই খালি বদলানো হয়েছে।
১ অগাস্ট থেকেই এই বর্ধিত উর্ধ্বসীমার ঋণের সুদের হার কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। অগাস্ট মাসে সর্বশেষ মুদ্রানীতির বৈঠকে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর সঞ্জয় মলহোত্রা রেপো রেট ৫.৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর এই সিদ্ধান্তের পরেও স্টেট ব্যাঙ্ক তাদের হোম লোনে সুদের হার বাড়িয়ে দিয়েছে।
ম্যাক্স গেইন ওভারড্রাফট ফেসিলিটির উপরে সুদের হার এখন হয়েছে এই ব্যাঙ্কে ৭.৭৫ শতাংশ থেকে ৮.৯৫ শতাংশ। টপ আপ ঋণ তুলনায় ব্যয়বহুল হয়েছে, এতে সুদের হার রয়েছে ৮ শতাংশ থেকে ১০.৭৫ শতাংশ। ওভারড্রাফট টপ আপ ঋণ ৮.২৫ শতাংশ থেকে ৯.৪৫ শতাংশে স্থির রাখা হয়েছে। সম্পত্তির বিনিময়ে ঋণ বা রিভার্স মর্টগেজ ঋণে সুদের হার রয়েছে ১০.৫৫ শতাংশ। এসবিআই ইয়োনো ইনস্টা হোম টপ আপ ঋণের সুদের হার ৮.৩৫ শতাংশে স্থির রাখা হয়েছে।
ধরা যাক কোনও ব্যক্তি ৩০ লক্ষ টাকার ঋণ নেবেন ২০ বছরের জন্য, সেক্ষেত্রে ৮.৪৫ শতাংশ সুদের হার অনুসারে তাঁর ইএমআই হবে ২৫৮৩০ টাকা। অন্যদিকে এই সুদের হার বেড়ে হয়েছে ৮.৭০ শতাংশ, ফলে এখন সেই একই অঙ্কের ঋণের জন্য তাঁকে ইএমআই দিতে হবে ২৬২৭৮ টাকা। অর্থাৎ প্রায় ৪৫০ টাকা মাসে বেশি দিতে হবে ইএমআই বাবদ। আর এর ফলে মোট ২০ বছরে অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা সুদ দিতে হবে সেই ব্যক্তিকে।






















