Asmita Patel: শেয়ার বাজারের 'She Wolf' ! এই ইনফ্লুয়েন্সারকে নিষিদ্ধ ঘোষণা সেবির, বাজেয়াপ্ত ৫৩ কোটি টাকা
SEBI Ban: ক্যাপিটাল মার্কেট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এই ৬ প্রতিষ্ঠানকে। ভারতের সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ বোর্ড ওরফে সেবি এই ৬ সংস্থাকে শো-কজ নোটিশ পাঠিয়েছে।

SEBI Ban: বাজার নিয়ন্ত্রক সেবি সম্প্রতি ৬টি প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে যার মধ্যে অন্যতম হল অস্মিতা পটেল গ্লোবাল ট্রেডিং স্কুল। ক্যাপিটাল মার্কেট থেকে ফিনফ্লুয়েন্সার অস্মিতা পটেলকে অনৈতিক বিনিয়োগের পরামর্শ দেওয়া এবং বিভিন্ন কোর্সের (Asmita Patel) ফি নেওয়ার দরুণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৫৩ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকা। এই পুরো টাকাটাই অবৈধ উপায়ে উপার্জিত বলেই দাবি করছে সেবি। গত বৃহস্পতিবার একটি (SEBI Ban) আভ্যন্তরীণ নির্দেশিকা তথা শোকজ নোটিশ জারি করে মোট ৬টি সংস্থাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সেবি।
নিষিদ্ধ হওয়া সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে অস্মিতা পটেল গ্লোবাল স্কুল অফ ট্রেডিং প্রাইভেট লিমিটেড, অস্মিতা জিতেশ পটেল, জিতেশ জেঠালাল পটেল, কিং ট্রেডার্স, জেমিনি এন্টারপ্রাইজ এবং ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজেস সংস্থা। ক্যাপিটাল মার্কেট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এই ৬ প্রতিষ্ঠানকে। ভারতের সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ বোর্ড ওরফে সেবি এই ৬ সংস্থাকে ব্যাখ্যা জানাতে বলেছে যে ঠিক কোন কারণে অতিরিক্ত আরও ১০৪.৬৩ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হবে না বা বাজেয়াপ্ত করা উচিত নয়। অস্মিতা পটেল গ্লোবাল স্কুল অফ ট্রেডিং দ্বারা বিভিন্ন কোর্সে নথিভুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কিত এই মামলাটি। সেবির নির্দেশিকায় বলা হয়েছে এই ব্যক্তিদের অতিরিক্ত অতিরঞ্জিত মুনাফার লোভ দেখিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল এবং ন্যূনতম শিক্ষার জন্য মোটা টাকা ফি নেওয়া হয়েছিল তাদের থেকে।
ইউটিউবার এবং ফিনফ্লুয়েন্সার অস্মিতা পটেল নিজেকে স্টক মার্কেটের 'সি উলফ' বলে দাবি করেন, এমনকী অপশন কুইন বলেও দাবি করেন। তিনি দাবি করেন যে তার মেন্টরশিপে ১ লক্ষেরও বেশি ছাত্র, বিনিয়োগকারী সারা বিশ্বে ট্রেডিং শিখেছেন। অভিযোগ অনুসারে তার এই ব্যবসা বা টিউটোরিয়াল থেকেই অস্মিতার মোট সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪০ কোটি টাকা।
সেবি লক্ষ্য করেছে, এই অস্মিতা পটেলের সংস্থা এবং জেঠালাল পটেলের সংস্থা মিলে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, বিনিয়োগকারীদের মোটা মুনাফার লোভ দেখিয়ে নির্দিষ্ট কিছু স্টকে বিনিয়োগের পরামর্শ দিতেন এবং অন্য একটি বিশেষ সংস্থার থেকে ট্রেডিংয়ের জন্য ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট খুলতে বলতেন। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট স্টকের কেনা বেচার পরামর্শ দেওয়া হত, টেলিগ্রাম চ্যানেলে আপলোড করা হত এই তথ্য। এ থেকে স্পষ্ট যে এই ৬ সংস্থা ব্যক্তিদের বিনিয়োগের পরামর্শ দিত, আর কোর্স ফি-র মোটা টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে না নিয়ে কখনও কিং ট্রেডার্স, কখনও জেমিনি এন্টারপ্রাইজের অ্যাকাউন্টে পাঠাতে বলা হত। আর এভাবেই ৫৩ কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছে এই ৬ সংস্থা যা সেবি সম্প্রতি বাজেয়াপ্ত করেছে।
আরও পড়ুন: GIG Workers Pension: ডেলিভারি বয় ছাড়াও অস্থায়ী কর্মীদের জন্য দারুণ খবর, ভারত সরকারের নতুন উদ্যোগ






















