Trump Tariff: ট্রাম্পের এই এক সিদ্ধান্তে 'কাঙাল' হতে পারে বাংলাদেশ ! কপাল খুলবে ভারতের
Trump Tariff on Bangladesh: বাংলাদেশের অর্থনীতির মূলে রয়েছে বস্ত্রশিল্প। বাংলাদেশের মোট রফতানির ৮০ শতাংশেরও বেশি রয়েছে পোশাক, এই ইন্ডাস্ট্রিতে ৪০ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থানও হয়েছে বাংলাদেশে।

Trump New Tariff on Bangladesh: সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেশ কিছু সিদ্ধান্ত বিশ্বের বহু দেশকে সমস্যায় ফেলেছে। এই সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে একটি হল বাংলাদেশের রফতানির উপরে ৩৫ শতাংশ কর আরোপ (Trump Tariff) করা হয়েছে। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ভারতের প্রতিবেশি বাংলাদেশের জন্য নতুন সমস্যা (Trump Tariff on Bangladesh) তৈরি করতে পারে। তবে এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের উপর কুপ্রভাব নেমে আসলেও ভারতের খুলতে পারে কপাল।
ভারতের জন্য স্বস্তির কারণ হতে চলেছে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত। কীভাবে এই কর আরোপের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের উপর কুপ্রভাব হানবে আর ভারতকে এনে দেবে সুখের সময় ?
বাংলাদেশের শিরদাঁড়ায় আঘাত
বলাই বাহুল্য যে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূলে রয়েছে বস্ত্রশিল্প। বাংলাদেশের মোট রফতানির ৮০ শতাংশেরও বেশি রয়েছে পোশাক, এই ইন্ডাস্ট্রিতে ৪০ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থানও হয়েছে বাংলাদেশে। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের পরে বাংলাদেশ থেকে রফতানি করা পোশাক ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে। এর ফলে বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের খাত প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে। এর পণ্যের দাম অনেক বেড়ে যাবে।
ভারতীয় পোশাকের চাহিদা বাড়বে
বাংলাদেশের উপর ৩৫ শতাংশ কর আরোপের ফলে ভারতের বস্ত্রশিল্প খাতে দারুণ সুবিধে হতে পারে। বর্তমানে ভারতের বেসলাইন কর হল ১০ শতাংশ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন সংস্থাগুলি বাংলাদেশের তুলনায় ভারত থেকে সস্তায় পোশাক পেতে পারবে। এর ফলে সেখানকার সংস্থাগুলি ভারতের দিকেই ঝুঁকতে পারে। আর এইভাবেই শক্তিশালী ভারতের বস্ত্রশিল্পের দুনিয়ায় সমৃদ্ধি আসতে পারে।
বাংলাদেশের উপরে ৩৫ শতাংশ রফতানি শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা আর এতে ভারতের বস্ত্রশিল্পের বাজারে প্রবল উৎসাহ দেখা যায়। বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে এই খাত আগামী দিনে আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর মূল কারণ হল আগামী দিনে ভারতীয় বস্ত্রশিল্পের খাতের জন্য একটি শক্তিশালী সম্ভাবনা রয়েছে।
উৎপাদন বাড়াতে হবে
বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া, মায়ানমার, জাপান, কম্বোডিয়ার মত দেশগুলির উপরে ভারি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী দিনে বস্ত্র সরবরাহে বড় ধরনের বদল আসতে পারে। তবে এর জন্য ভারতকে তার উৎপাদনের পাশাপাশি মান নিয়ন্ত্রণের দিকেও মনোযোগ দিতে হবে। ভারত যদি সুচিন্তিত কৌশল নিয়ে এগিয়ে যায় তাহলে তারা বস্ত্রশিল্পের বাজারে নিজের পরিচয় প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।
সেরা শিরোনাম






















