India-US Relations: ভারতকে ‘সিধে’ করতে হবে, ট্রাম্প সহযোগীর মন্তব্যে কী ইঙ্গিত? শুল্ক নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে বাড়ল জল্পনা
US Tariff on India:বাণিজ্যশুল্ক নিয়ে এখনও পর্যন্ত বরফ গলেনি দুই দেশের মধ্যে।

নয়াদিল্লি: মুখে আলাপ-আলোচনার কথা বললেও, লাগাতার ভারতকে নিয়ে নানা রকম মন্তব্য করেই চলেছে আমেরিকা। আবারও ভারতকে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করতে শোনা গেল দেশের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ট লাটনিক। ভারতকে ‘সিধে’ করতে হবে বলে মন্তব্য করলেন তিনি। (India-US Relations)
বাণিজ্যশুল্ক নিয়ে এখনও পর্যন্ত বরফ গলেনি দুই দেশের মধ্যে। সেই আবহেই এমন মন্তব্য করতে শোনা গেল লাটনিককে। তাঁর দাবি, বেশ কিছু দেশকে ‘সিধে’ করতে হবে। ভারতও সেই গোত্রে পড়ে। ভারত, ব্রাজিলের মতো দেশ যেভাবে আমেরিকার সঙ্গে কথা বলছে, যেভাবে আমেরিকার স্বার্থে আঘাত করছে, তা হতে দেওয়া যায় না বলেও দাবি করেন তিনি। (US Tariff on India)
একটি সংবাদমাধ্যমে লাটনিক বলেন, “সুইৎজ়ারল্যান্ড, ব্রাজিলের মতো বেশ কিছু দেশকে সিধে করতে হবে। কিছু সমস্যা রয়েছে। ভারত, আমেরিকার প্রতি এই দেশগুলির আচরণ সঠিক হওয়া দরকার। আমেরিকার জন্য দেশের বাজার খুলে দিতে হবে ওদের, আমেরিকার স্বার্থে আঘাত লাগে, এমন কাজ করলে চলবে না। এসব নিয়েই বিরোধিতা ওদের সঙ্গে।”
সুইৎজ়ারল্যান্ডের মতো ছোট্ট দেশের সঙ্গেও আমেরিকার বাণিজ্যে ৪০ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি রয়েছে বলে জানান লাটনিক। সুইৎজ়ারকে ‘ছোট্ট সমৃদ্ধশালী’ দেশ বলারও পক্ষপাতী নন লাটনিক। তাঁর দাবি, সুইৎজ়ারল্যান্ড ৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের পণ্য বিক্রি করে আমেরিকার বাজারে। সেই তুলনায় আমেরিকার থেকে পণ্য কেনে না। আমেরিকার দৌলতেই সুইৎজ়ারল্যান্ডের এই সমৃদ্ধি বলে দাবি করেন তিনি। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই ধরনের অসাম্য চলতে পারে না, বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা উচিত বলে মত তাঁর। জানিয়েছেন, সময় লাগলেও, পরিস্থিতি নিশ্চয়ই ঠিক হবে। যেভাবে অন্য দেশগুলির উপর চাপ সৃষ্টি করছে আমেরিকা, ট্রাম্পের যে বাণিজ্যনীতি, তার প্রশংসাও করেন লাটনিক।
ভারতের উপর দুই দফায় ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন ট্রাম্প। রাশিয়ার থেকে তেল কেনায় শাস্তিস্বরূপ বাড়তি শুল্ক আরোপ করেন তিনি। এর ফলে ভারতীয় ব্য়বসায়ীরা প্রভূত ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ব্রাজিলের উপর ও৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছে। লাটনিকের বক্তব্য, “ওদের (ভারত, ব্রাজিল) বুঝতে হবে, আমেরিকার বাজারে পণ্য বিক্রি করতে চাইলে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সুর মেলাতে হবে।”
বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে বিস্তর টানাপোড়েনের পর সম্প্রতি ফের নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে। ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে ছিলেন ভারতের শিল্পমন্ত্রী পীযূস গয়াল।





















