Bankura School Chaos: আর্থিক তছরুপের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক ও সহ শিক্ষকদের আটকে বিক্ষোভ
Bankura School Scam: অভিভাবকদের অভিযোগ, ২০১৯ সালে স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়নে ৫৪ লক্ষেরও বেশি টাকা বরাদ্দ করা হয়।

পূর্ণেন্দু সিংহ, বাঁকুড়া: আর্থিক তছরুপের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক ও সহ শিক্ষকদের আটকে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা। ঘটনা বাঁকুড়া ২ নম্বর ব্লকের মানকানালি গ্রাম পঞ্চায়েতের মগরা হাইস্কুলের। জানা গিয়েছে, স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ৫০ লক্ষের বেশি টাকা বরাদ্দ হয়। ৫ বছর পার, এখনও স্কুলে কোনও উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক।
আর্থিক তছরুপের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক ও সহ শিক্ষকদের আটকে রাখলেন অভিভাবকরা। বাঁকুড়া ২ নম্বর ব্লকের মানকানালি গ্রাম পঞ্চায়েতের মগরা হাইস্কুলের ঘটনা। অভিভাবকদের অভিযোগ, ২০১৯ সালে স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়নে ৫৪ লক্ষেরও বেশি টাকা বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু ৫ বছরের বেশি কেটে গেলেও কোনও কাজই হয়নি। হিসেবও দিতে পারেননি প্রধান শিক্ষক। এই পরিস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক ও স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি ও যুব তৃণমূলের বাঁকুড়া ২ নম্বর ব্লকের সভাপতি ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিভাবকদের আশঙ্কা। অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কারণেই এই দেরি। স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি ও যুব তৃণমূল নেতা উল্টে বিরোধীদের ঘাড়ে দায় চাপিয়েছেন। জেলার স্কুল পরিদর্শক জানিয়েছেন তদন্ত চলছে।
প্রধান শিক্ষক মুকেশ পাত্রের দাবি, কোনও অর্থ তছরুপ হয়নি।দু'টি বিল্ডিং, সীমানা পাঁচিল ও মেরামতির জন্য বরাদ্দ ৫২ লক্ষ টাকা স্কুলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই জমা আছে। এক মাস পরে হিসেব তিনি দেখিয়ে দেবেন। এছাড়াও ওই কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে বলে দাবি। একই সঙ্গে বিগত তিন বছর কোন 'অডিট' হয়নি বলেও তিনি স্পষ্টতই স্বীকার করে নেন। স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি, তথা বাঁকুড়া-২ ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি বুদ্ধদেব শর্মা বলেন, "বিজেপি ও সিপিআইএম মানুষের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে। তবে স্কুল ফান্ডের বিষয়টি প্রধান শিক্ষক আমাদের জানাননি। দীর্ঘদিন পরিচালন সমিতি পুনর্গঠন হয়নি।'' তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব করে বিজেপি রাজনীতি ঢোকাতে চাইছে বলেও তিনি দাবি করেন।
বাঁকুড়া জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) পীযূষ কান্তি বেরা বলেন, "২০১৮ থেকে ২২ সালের মধ্যে ওই স্কুলকে পরিকাঠামো উন্নয়নে ৫৪ লক্ষ টাকার বেশি দেওয়া হয়েছিল। খরচের হিসাব প্রধান শিক্ষক জমা দেননি। আর্থিক তছরুপ কি না এখনই বলা সম্ভব নয়, তদন্ত চলছে। তছরুপের বিষয় প্রমাণ হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'' ওই টাকা স্কুলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা থাকলে দ্রুত খরচ করে হিসাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
Before You Go
Suvendu Adhikari News | এবার থেকে অনলাইনে বিনামূল্যে মিলবে জমির রেকর্ড সংক্রান্ত তথ্য | ABP ANANDA LIVE






















