Baruipur Case : বারুইপুরে গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের দাদাকে চাকরির চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী , নিয়োগ সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে
গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ঘটনাকে "নৃশংস হত্যাকাণ্ড" বলে উল্লেখ করে তিনি একাধিক সহায়তার ঘোষণা করেন।

বারুইপুর : ফের দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের সূর্যপুরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নিরাপত্তা ও তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ন্যায় বিচারের আশ্বাস দেন। পাশাপাশি, গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের বাড়িতেও এদিন যান মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তাও। নিহতের দাদার হাতে তুলে দেওয়া হয় সিভিক ভলান্টিয়ারের নিয়োগপত্র।
গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান তিনি। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয়, নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের দাদার হাতে রাজ্য সরকারের সিভিক ভলান্টিয়ার পদে নিয়োগপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ঘটনাকে "নৃশংস হত্যাকাণ্ড" বলে উল্লেখ করে তিনি একাধিক সহায়তার ঘোষণা করেন।
মুখ্যমন্ত্রীর জানান , নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের দাদাকে রাজ্য সরকারের সিভিক ভলান্টিয়ার পদে চাকরি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, "নৃশংসভাবে পিটিয়ে যুবককে হত্যা করা হয়েছে। রাজ্য সরকার পরিবারের পাশে রয়েছে।" আশ্বাস দেন, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দোষীদের চূড়ান্ত শাস্তি নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে তাঁর নাম-পরিচয় দেখেই লক্ষ্য করে হত্যা করা হয়েছে।
চাকরি পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইন্দ্রজিতের দাদা। বলেন, 'খুব খুশি স্যর, খুব খুশি স্যর, খুব খুশি। ' একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পরিবারের সদস্য দের সবরকম সরকারি প্রকল্পের আশ্বাস দেন। পরিবারের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এদিনই গণপিটুনির ঘটনায়, আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দিঘা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে অন্যতম মূল অভিযুক্ত সরিফুল মল্লিককে। সে ছাড়াও বারুইপুর থেকে সামিম আলি খান, এবং ক্যানিং থেকে আবু সিদ্দিক সর্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গণপিটুনির মামলায় এই নিয়ে ৫জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, নির্যাতিত নাবালিকার পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে সূর্যপুরে একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি তৈরি করা হয়েছে। এদিন সেই নতুন পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধনও করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের দাবি, এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা এবং আইনশৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
Before You Go
BJP News: পালাবদলের সাড়ে ৩ মাসেই বিজেপিতে তোলাবাজির কাঁটা






















