Tapas Roy: বাংলাদেশি স্লোগান দেওয়া যাবে না, বিল এনে আইন করে বন্ধ করতে হবে : তাপস রায়
Jukti Tokko: 'মমতা নবান্নে নেই, ভাইপো প্রচারে নেই, জাহাঙ্গির ময়দানে নেই। আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে, তাই না?'

জয় শ্রী রাম বলে যুক্তি তক্কো- র অনুষ্ঠানে বক্তব্য শুরু করে মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক এবং প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় বলেছেন, 'এটা তো বলতেই হবে। কারণ বাংলাদেশি স্লোগান তো দেওয়া যাবে না। তৃণমূল যে তিনটে স্লোগান দেয় ওগুলো বাংলাদেশের স্লোগান। ওগুলো বন্ধ করতে হবে। আমি চাই বিল এনে, আইন করে ওইসব স্লোগান বন্ধ করা হোক। বিধানসভায় বলেছি সেকথা। এই বড় বিশ্বকবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২-৪টে স্লোগানও লিখতে পারেন না? আর দেশমাতৃকার জয়ধ্বনি করব না তো কার করব?'
তাপস রায় বলেছেন, '৫৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে এত আনন্দ আমি পাইনি। আনন্দ ধরে রাখতে পারছি না। মমতা হেরেছেন। ওঁর সরকার ক্ষমতায় নেই। এর চেয়ে আনন্দের আর কীই বা হতে পারে। আমি সব পেয়ে গেছি। আর কিছু দরকার। যা পেয়েছি এ জীবনে এর থেকে বেশি আর কিছু আশা করিনি, করি না। মানুষ একটা ভয়ের বাতাবরণ কাটিয়েছেন। আমরাও কাটিয়েছি। তৃণমূলের সবচেয়ে বড় গুন্ডা মমতা নেই, সিকিউরিটি নেই, মানে ওই বখাটে ছোঁরাটা, প্রচারে যেতে পারেনি, ডেঁপো, রাজনীতিতেও এইসব ডেঁপো ছোকরা আছে, রাজনীতিই করল না, অথচ সব চাই। সব পেতে হবে। ১ লাখ ৬৮ হাজার ভোটে ২৪- এ লিড দিয়েছিল ওই কেন্দ্র থেকে, তার সবচেয়ে বড় গুন্ডা, তৃণমূলীরা শুনছেন তো, এসআইআর নিয়ে এরপরেও কিছু বলবেন? ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ভোটে লিড দেওয়ার পরেও মিঠুন দে-র মতো পুলিশ নেই, মমতা নবান্নে নেই, ভাইপো প্রচারে নেই, জাহাঙ্গির ময়দানে নেই। আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে, তাই না?
'আমি মানিকতলা বাজারে মাছ কাটব, পাশে আঁশ ছাড়াবে অভিষেক', বিস্ফোরক বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়
মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক এবং প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় বলছেন, 'এখন অনেক দায়িত্ব। সেটা করতে হবে। কঠিন কাজ। ৭ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার ঋণ মাথায়। শিক্ষা লাটুবাবুর ছাদে, স্বাস্থ্য শ্মশানে, শিল্প ডুগডুগি বাজাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে কে জানে... গুন্ডারা পুলিশ নাকি পুলিশরা গুন্ডা? রাজীব কুমার মার্কা, মনোজ ভার্মা, বিনীত গোয়েল মার্কা বা এই সল্টলেকের পাশের মুকেশ মার্কা এই সমস্ত আইপিস আর তাঁদের অধস্তনরা, একেবারে জয়েন্ট ভেঞ্চারে লুটেপুটে খেয়েছে। সেই লুটেপুটে খাওয়া বাংলাকে সোজা করে দাঁড় করানো কিন্তু চাট্টিখানি কথা নয়। আমাদের করতে হবে। সহজ কাজ নয়। কিন্তু করতেই হবে। মানুষ আমাদের কাঁধে যে দায়িত্ব দিয়েছে তা পালন করতেই হবে। এটুকু বলতে পারি এই বাংলায় উন্মাদিনী, সৌদামিনী রঙ্গঘরে আর নৃত্য করবে না। এটুকু বলতে পারি এই বাংলায় চাকরি বিক্রি হবে না। অযোগ্য, অপদার্থ তারা পরীক্ষা দিয়ে পাশ না করলে চাকরিতে যেতে পারবে না। মেধাবী যোগ্যরা চাকরি পাবে। আইনের শাসন শুরু হয়ে গিয়েছে। অ্যাকশনটা কোন পর্যায়ে আপনারা বুঝতে পারছেন।'























